কলকাতা: শহরের কেষ্টপুরে আয়োজিত হল এক অনন্য সম্মাননা অনুষ্ঠান ‘বিদ্যা রত্ন: এডুকেশন আইকন অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬’। ইন্টারন্যাশনাল ইকুইটেবল হিউম্যান রাইটস সোশ্যাল কাউন্সিলের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কাজে যুক্ত তরুণদেরও সম্মানিত করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্থার চেয়ারম্যান সঞ্জয় সিনহা। তিনি মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিয়ে বলেন, “সাফল্যের কোনও শর্টকাট নেই। কঠোর পরিশ্রম ও সঠিক লক্ষ্যই একজন মানুষকে সাফল্যের শিখরে পৌঁছে দেয়।” তাঁর বক্তব্যে অনুপ্রাণিত হয়ে পড়ুয়ারা ভবিষ্যতের লক্ষ্যে আরও দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ হয়।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন বিচারপতি অবনী কান্ত লাহা, অবসরপ্রাপ্ত সেনা আধিকারিক সমীর মণ্ডল, অধ্যাপক ড. অতীন্দ্র কুমার মিত্র, স্টেট প্রেসিডেন্ট দীপক মিত্র, স্টেট ভাইস প্রেসিডেন্ট কৌশিক রায় চৌধুরী, স্টেট ডেপুটি ভাইস প্রেসিডেন্ট অমর ব্যানার্জি এবং সিটি ভাইস প্রেসিডেন্ট (রানিগঞ্জ) চন্দন কুণ্ডু সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।
প্রফুল্ল কানন রবীন্দ্রপল্লী জুনিয়র এক্সারসাইজ সোসাইটি ক্লাব প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই জমকালো অনুষ্ঠানে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক উত্তীর্ণ কৃতী ছাত্রছাত্রীদের ‘বিদ্যা রত্ন আইকন অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানের মূল উদ্যোক্তা এবং জেলা সভাপতি কুমকুম মাইতি বিশ্বাস বলেন, “শুধু পড়াশোনায় নয়, যারা নারী সুরক্ষা ও সাইবার সিকিউরিটির মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে কাজ করছেন, তাঁদের সম্মান জানানো আমাদের গর্বের বিষয়।” এই মঞ্চে বিশেষভাবে সম্মানিত হন শুভজ্যোতি মাইতি, অরিত্র গিরি, চন্দন সাহা এবং সত্যম মণ্ডল—যাঁরা সাইবার নিরাপত্তা ও নারী সুরক্ষায় উল্লেখযোগ্য কাজ করছেন।
অনুষ্ঠান সফল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন কানকেন্দু শিকদার (ক্লাব সেক্রেটারি), অধ্যাপক অতীন্দ্র কুমার মিত্র (হাওড়া শিবপুর বি.ই. কলেজের অধ্যাপক ও ক্লাব ভাইস প্রেসিডেন্ট) এবং সমীর মণ্ডল (ক্লাব কালচারাল সেক্রেটারি, প্রাক্তন সেনাকর্মী)।
এছাড়াও কলকাতা দলের সদস্য ইলা মণ্ডল (সিটি ভাইস প্রেসিডেন্ট, দক্ষিণ ২৪ পরগনা), কৌশিক দত্ত (সিটি ভাইস প্রেসিডেন্ট, কসবা), সুমন মাইতি (সিটি প্রেসিডেন্ট, বেলেঘাটা) এবং জুয়েল সাহা (সিটি প্রেসিডেন্ট, ব্যান্ডেল) সহ অনেকেই অনুষ্ঠানের সাফল্যে অবদান রাখেন।
অনুষ্ঠানের শেষে সকল পুরস্কারপ্রাপ্ত ছাত্রছাত্রী ও গবেষকদের অভিনন্দন জানিয়ে ধন্যবাদজ্ঞাপনের মাধ্যমে পরিসমাপ্তি ঘটে।
এই অনুষ্ঠান শুধু সম্মাননা নয়, নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রেরণা জোগানোর এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে রইল।


