মঙ্গলবার আসানসোলে রাজনৈতিক উত্তেজনার পারদ চরমে পৌঁছয়, যখন আসানসোল পুরসভা-র মেয়র দফতরে হঠাৎ করেই তৈরি হয় তুমুল বিশৃঙ্খলা।
ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন ভারতীয় জনতা পার্টি-র যুব মোর্চার কর্মীরা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর ছবি সরিয়ে তার জায়গায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং সুবেন্দু অধিকারী-এর ছবি টাঙিয়ে দেন।
⚡ কীভাবে ঘটল এই ঘটনা?
জানা গিয়েছে, পশ্চিম বর্ধমান জেলা বিজেপি যুব মোর্চার সভাপতি অভীক মণ্ডল-এর নেতৃত্বে একদল কর্মী মেয়র দফতরে প্রবেশ করেন।
👉 তারা প্রথমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি নামিয়ে দেন
👉 এরপর নতুন করে মোদি, রাষ্ট্রপতি ও সুবেন্দু অধিকারীর ছবি লাগানো হয়
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরসভা চত্বরে দীর্ঘক্ষণ ধরে উত্তেজনা ও বাকবিতণ্ডা চলে।
🗣️ বিজেপির দাবি
অভীক মণ্ডল বলেন—
👉 “অনেকদিন ধরেই মেয়রের কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি সরানোর দাবি জানানো হচ্ছিল, কিন্তু কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।”
👉 তাঁর দাবি, শেষমেশ বিজেপি কর্মীরাই উদ্যোগ নিয়ে এই কাজ করেছেন।
🏛️ মেয়রের প্রতিক্রিয়া
এই ঘটনায় মেয়র বিধান উপাধ্যায় সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া দিয়ে বলেন—
👉 “আপনারাই দেখছেন কী হচ্ছে, এর বেশি আর কী বলব!”
তাঁর এই মন্তব্যে পরিস্থিতির গুরুত্ব আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
🔥 বাড়ছে রাজনৈতিক চাপানউতোর
এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র চাপানউতোর।
👉 অনেকেই মনে করছেন, এটি শুধুমাত্র একটি ছবি সরানোর ঘটনা নয়, বরং রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনের একটি বড় ইঙ্গিত।
👉 আগামী দিনে এই ইস্যু ঘিরে আরও বিতর্ক এবং রাজনৈতিক সংঘর্ষ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
🔍 কী হতে পারে পরবর্তী পদক্ষেপ?
- পুরসভা প্রশাসন ঘটনার তদন্ত শুরু করতে পারে
- নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হতে পারে
- রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে
⚠️ উপসংহার
আসানসোল পুরসভায় এই ঘটনায় স্পষ্ট—
👉 রাজনীতি এখন শুধু নীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, প্রতীক এবং পরিচয়ের লড়াইতেও রূপ নিয়েছে।
এই ঘটনায় শহরের রাজনৈতিক পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে এবং এর প্রভাব ভবিষ্যতে আরও বড় আকার নিতে পারে।















