“কাল আসব”—কথা রাখলেন মমতা, ভবানীপুরে জনস্রোত নামল পথে

single balaji

কলকাতা (ভবানীপুর): মাইক বিতর্কে শনিবার সভা মাঝপথে বন্ধ করতে হলেও, মাত্র একদিনের মধ্যেই পাল্টা জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার একই চক্রবেড়িয়া এলাকা থেকেই শুরু করলেন ৮৭ মিনিটের দীর্ঘ পদযাত্রা, যা কার্যত শক্তি প্রদর্শনে পরিণত হল।

⚠️ মাইক বিতর্কে থেমে গিয়েছিল সভা

শনিবার চক্রবেড়িয়ায় আয়োজিত সভায় আচমকাই বিতর্ক তৈরি হয়। অভিযোগ ওঠে, সভাস্থলের কাছেই বিজেপির তরফে মাইক প্রচার শুরু হওয়ায় বাধা সৃষ্টি হয়।
এরপর সংক্ষিপ্ত ভাষণ দিয়েই সভা শেষ করেন মমতা। তিনি বলেন—
👉 “এইভাবে সভা করা সম্ভব? আমার অনুমতি ছিল, তবুও ইচ্ছে করে বাধা দেওয়া হচ্ছে।”

সেই সময়ই তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, পরের দিন ফের এই এলাকাতেই কর্মসূচি করবেন।

🚶‍♀️ রবিবার ৮৭ মিনিটের পদযাত্রা

রবিবার বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে ভবানীপুরের চক্রবেড়িয়া মোড় থেকে পদযাত্রা শুরু করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
কালীঘাট রোড, হরিশ মুখার্জি রোড-সহ বিভিন্ন রাস্তা ঘুরে এই পদযাত্রা পৌঁছায় হাজরা ফায়ার ব্রিগেডের সামনে, সময় তখন ৫টা ৪২ মিনিট

👉 মোট সময়: ৮৭ মিনিট
👉 পথ: গলি ও প্রধান সড়ক মিলিয়ে বিস্তৃত এলাকা

👥 উপচে পড়া ভিড়ে উৎসবের আবহ

পদযাত্রাকে ঘিরে ভবানীপুরে দেখা যায় নজিরবিহীন ভিড়।
👉 শিশুদের হাতে ‘জয় বাংলা’ লেখা গোলাপ
👉 প্রবীণদের ভিড় ‘ঘরের মেয়ে’কে দেখতে
👉 কেউ হুইলচেয়ারে বসেও অংশ নিলেন

বাড়ির ছাদ, বারান্দা ও জানালা থেকেও মানুষ ভিড় জমিয়ে এই পদযাত্রা প্রত্যক্ষ করেন।

🤝 জনসংযোগে ব্যস্ত মুখ্যমন্ত্রী

এই পদযাত্রা শুধুমাত্র হাঁটাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না।
মমতা বারবার থেমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন, তাঁদের অভিবাদন গ্রহণ করেন এবং হাত নেড়ে সাড়া দেন।

এক আবেগঘন মুহূর্তে এক মহিলা ভিড় ঠেলে এসে তাঁর পায়ে হাত দিতে গেলে মমতা প্রথমে বাধা দিলেও, শেষে তিনি প্রণাম করেন।

🥁 ঢাকের তালে মুখর এলাকা

পদযাত্রার পথে শোনা যায় নির্বাচনী গান, ঢাকের বাদ্য এবং স্লোগান।
পুরো এলাকা যেন উৎসবের আবহে মেতে ওঠে।

🟢 সঙ্গী ছিলেন ফিরহাদ হাকিম

এই পুরো পদযাত্রায় মমতার সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিম, যা কর্মসূচিকে আরও গুরুত্ব দেয়।

🔥 রাজনৈতিক বার্তা স্পষ্ট

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পদযাত্রা শুধু একটি কর্মসূচি নয়, বরং একটি স্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তা—
👉 বাধা এলেও পিছিয়ে না আসার
👉 সরাসরি জনসংযোগের
👉 এবং মাঠে শক্তি প্রদর্শনের

👉 সব মিলিয়ে, মাইক বিতর্ক থেকে শুরু হওয়া ঘটনাপ্রবাহ ৮৭ মিনিটের পদযাত্রায় গিয়ে বড় রাজনৈতিক বার্তায় পরিণত হয়েছে।
ভোটের আগে ভবানীপুরের এই জনস্রোত রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ghanty

Leave a comment