কুলটি: পশ্চিম বর্ধমানের কুলটি থানার অন্তর্গত চৌড়াঙ্গী ফাঁড়ি এলাকায় ঘটে যাওয়া এক চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনায় বড় সাফল্য পেল পুলিশ। দেন্দুয়া-কল্যাণেশ্বরী রোডের কদভিটা মোড় সংলগ্ন অনিরুদ্ধ শাউ-এর বাড়ি এবং তার সঙ্গে লাগোয়া বাসনপত্রের দোকানে চুরির ঘটনায় অবশেষে গ্রেফতার করা হয়েছে মূল অভিযুক্ত গোপাল সেনকে, যিনি কদভিটা নোটিফাইড এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতার হওয়ার পর গোপাল সেন জেরায় চুরির ঘটনায় নিজের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। এই স্বীকারোক্তির পর তদন্তে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছে পুলিশ।

ঘটনার অভিযোগ সামনে আসতেই চৌড়াঙ্গী ফাঁড়ির ইনচার্জের নেতৃত্বে পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু করে। মাত্র অল্প সময়ের মধ্যেই গোটা ঘটনার রহস্যভেদ করে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ, যা এলাকায় পুলিশের তৎপরতা ও দক্ষতার প্রমাণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
শনিবার ধৃতকে আসানসোল আদালতে পেশ করা হয়। তদন্তের স্বার্থে পুলিশ তার হেফাজতের আবেদন জানিয়েছে, যাতে চুরির সঙ্গে জড়িত অন্য কোনও ব্যক্তি বা চক্র আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা যায়।

এদিকে, এই ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়ালেও পুলিশ প্রশাসন নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করেছে। কদভিটা ও সংলগ্ন এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে, পাশাপাশি রাতে টহলদারিও বাড়ানো হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে এই ধরনের চুরির ঘটনা কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে, ফলে পুলিশের এই দ্রুত পদক্ষেপ সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে। তবে বাসিন্দারা আরও কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনা রুখে দেওয়া যায়।
👉 পুলিশের এই দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ আবারও প্রমাণ করল—অপরাধ করে পালানো সহজ নয়, আইনের হাত অনেক লম্বা।


