পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুর-কাঁকসা এলাকায় অবৈধ বালি ব্যবসার বিরুদ্ধে বড়সড় প্রশাসনিক অভিযান শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-র কড়া সতর্কবার্তার পরই নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। অজয় নদীর তীরবর্তী একাধিক বালিঘাটে চলছে টানা অভিযান, যার জেরে গোটা এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
⚠️ “বালির মধ্যে বড় খেলা”—মুখ্যমন্ত্রীর বিস্ফোরক অভিযোগ
দুর্গাপুরে প্রশাসনিক বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন—
👉 অবৈধ বালিঘাট বন্ধ হওয়ার সুযোগে দামের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি
👉 ৮ হাজার টাকার বালি ১৬ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে
👉 সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য চক্রান্ত চলছে
এই মন্তব্যের পরই প্রশাসনিক স্তরে তৎপরতা বহুগুণ বেড়ে যায়।
🚨 কাঁকসায় ভোর থেকে অভিযান
শুক্রবার সকাল থেকেই—
👉 অজয় নদী-র ঘাটে জোরদার অভিযান
👉 নতুন কাঁচনপুর (বিধবিহার), শ্রীরামপুর, দুবরাজপুর কলোনি সহ একাধিক এলাকায় তল্লাশি
👉 ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দফতরের আধিকারিক মঞ্জু কানজিলাল-এর নেতৃত্বে অভিযান
কাঁকসার মালানদিঘি ফাঁড়ির পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে এই অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানা গেছে।
🏴☠️ দীর্ঘদিনের অবৈধ কারবার
অভিযোগ অনুযায়ী—
👉 পূর্ববর্তী সময়ে অজয় নদীর তীরে গড়ে উঠেছিল বহু অবৈধ বালিঘাট
👉 ট্রাক ও ডাম্পারের মাধ্যমে নিয়মিত বালি পাচার হত
👉 বিভিন্ন জায়গায় বালি মজুত করে ট্র্যাক্টরের সাহায্যে সরানো হত
ফলে বিপুল পরিমাণ সরকারি রাজস্বের ক্ষতি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
🏛️ এখন কড়া বার্তা—‘নো টলারেন্স’
রাজ্য প্রশাসনের দাবি—
👉 অবৈধ বালি, পাথর ও কয়লা পাচার রুখতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে
👉 সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কোনও কাজ বরদাস্ত করা হবে না
👉 নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান চালানো হবে
প্রশাসনের একাংশের মতে, এই অভিযান শুধু বালি নয়, গোটা অবৈধ অর্থনীতির উপর বড় আঘাত।
📢 এলাকায় চর্চার ঝড়
বুলডোজার অভিযান ও হানা নিয়ে ইতিমধ্যেই কাঁকসা-দুর্গাপুর জুড়ে আলোচনা তুঙ্গে। সাধারণ মানুষের একাংশ এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানালেও, অন্যদিকে আতঙ্কে রয়েছেন অবৈধ কারবারের সঙ্গে যুক্তরা।
প্রশাসন স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে—
“আইনের বাইরে কোনও কাজই আর চলবে না।”















