পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল পুরনিগমে ছবি ঘিরে শুরু হওয়া বিতর্ক এখন বড় রাজনৈতিক সংঘাতে পরিণত হয়েছে। ভারতীয় জনতা পার্টি যুব মোর্চা ও পুর প্রশাসনের মধ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে।
অভিযোগ, পুরনিগমের মেয়র কক্ষ থেকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর ছবি সরিয়ে সেখানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-এর ছবি টাঙানো হয়।
⚡ কী ঘটেছিল সেদিন?
সূত্রের দাবি—
👉 বিজেপি যুব মোর্চার কর্মীরা মেয়র কক্ষে প্রবেশ করেন
👉 সেখানে বিক্ষোভ ও উত্তেজনা তৈরি হয়
👉 মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবিও ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র চাপানউতোর।
🗣️ অবীক মণ্ডলের সাফাই
এই প্রসঙ্গে সাংবাদিক বৈঠক করে বিজেপি যুব মোর্চার সভাপতি অবীক মণ্ডল বলেন—
👉 “সংবিধানিক দফতরে শুধুমাত্র সংবিধানিক পদাধিকারীদের ছবি থাকা উচিত”
👉 “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন মুখ্যমন্ত্রী নন, তিনি একটি রাজনৈতিক দলের প্রধান”
👉 “দলীয় ভিত্তিতে ছবি রাখা সংবিধানসম্মত নয়”
তিনি দাবি করেন, বিষয়টি আগেই মেয়রকে জানানো হয়েছিল, কিন্তু কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
⚠️ মেয়রকে কড়া হুঁশিয়ারি
অবীক মণ্ডল আরও বলেন—
👉 যদি মেয়র বিধান উপাধ্যায় বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে থাকেন
👉 তবে তাঁর বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে
👉 “তার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে”
🔥 বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ
এই ঘটনায়—
👉 শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে
👉 প্রশাসনিক দফতরে রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠছে
👉 আসন্ন সময়ে বিষয়টি আরও বড় আকার নিতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা
📢 উপসংহার
আসানসোল পুরনিগমের এই ‘ছবি-কাণ্ড’ এখন আর শুধুমাত্র একটি প্রশাসনিক ইস্যু নয়, বরং এটি বড় রাজনৈতিক সংঘর্ষের প্রতীক হয়ে উঠেছে।
👉 সংবিধান বনাম রাজনৈতিক পরিচয়ের বিতর্ক
👉 আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি
👉 উত্তপ্ত রাজনীতির নতুন অধ্যায়
এখন নজর সবার—এই সংঘাত কি আইনি লড়াইয়ে গড়াবে, নাকি প্রশাসনিক স্তরেই মিটবে এই বিতর্ক।















