আসানসোল/কলকাতা: প্রায় ১৫ বছর পর কলকাতার ঐতিহাসিক শহিদ মিনার ময়দানে কংগ্রেসের ‘শহিদ সমাগম’ ঘিরে রাজ্যজুড়ে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আসানসোল ও দুর্গাপুর-সহ বিভিন্ন জেলা থেকে হাজার হাজার কংগ্রেস কর্মী ট্রেন, বাস ও ব্যক্তিগত গাড়িতে করে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন।
⚡ ‘না পাগলু ডান্স, না ডিম-ভাত’—শাহ আলমের কড়া বার্তা
এই কর্মসূচি প্রসঙ্গে কংগ্রেস নেতা শাহ আলম স্পষ্ট ভাষায় বলেন—
📢 “এই শহিদ সমাগম সম্পূর্ণভাবে শহিদদের প্রতি উৎসর্গ করা হবে। এখানে পাগলু ডান্স বা ডিম-ভাতের কোনও আয়োজন থাকবে না। তৃণমূল কংগ্রেসের সভায় যেসব বিষয় দেখা যায়, সেগুলির কোনওটাই এখানে হবে না।”
তিনি জোর দিয়ে বলেন, এটি হবে গম্ভীর ও মর্যাদাপূর্ণ শ্রদ্ধার অনুষ্ঠান।
📍 ১৫ বছর পর মিলল অনুমতি
শাহ আলমের দাবি—
- দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে কংগ্রেস শহিদ মিনারে এই অনুষ্ঠান করতে পারেনি
- বাধ্য হয়ে দলকে নিজেদের দলীয় কার্যালয়ে শহিদ দিবস পালন করতে হয়েছে
👉 তাঁর অভিযোগ, তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে এই কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া হতো না।
❗ অত্যাচারের অভিযোগ, উত্তপ্ত রাজনীতি
শাহ আলম আরও বলেন—
- সেই সময় কংগ্রেস কর্মীদের উপর নিরবচ্ছিন্ন চাপ ও অত্যাচার চালানো হয়েছে
- শহিদ দিবস পালনেও প্রশাসনিক বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে
👉 এই মন্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
🔥 কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশের দাবি
এই শহিদ সমাগমের মঞ্চ থেকেই কংগ্রেস তাদের গুরুত্বপূর্ণ দাবিগুলি সামনে এনেছে—
👉 মূল দাবি:
- সংশ্লিষ্ট গুলিকাণ্ডের কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করতে হবে
- সেই সময় দায়িত্বে থাকা আধিকারিক মনীশ গুপ্তর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে
🚆 জেলায় জেলায় কর্মীদের ঢল
এই সমাবেশে অংশ নিতে—
- রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে হাজার হাজার কর্মী কলকাতায় পৌঁছচ্ছেন
- বিশেষ করে আসানসোল ও দুর্গাপুর থেকে বড় মিছিল ইতিমধ্যেই রওনা দিয়েছে
👉 ফলে শহিদ মিনার চত্বরে বিরাট জনসমাগমের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
🌟 শুধুই শ্রদ্ধা নয়, রাজনৈতিক বার্তাও
রাজনৈতিক মহলের মতে—
এই শহিদ সমাগম শুধু একটি স্মরণসভা নয়, বরং—
- কংগ্রেসের পুনরুত্থানের ইঙ্গিত
- এবং রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের সূচনা
👉 শহিদদের স্মরণে আয়োজিত এই সমাগম এখন বাংলার রাজনীতিতে এক বড় মোড়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

