আসানসোলের রবীন্দ্র ভবনে ভক্তির জোয়ার! ভজন সন্ধ্যায় সম্মানিত বিধায়ক কৃষ্ণেন্দু মুখার্জি

single balaji

আসানসোল: বুধবার গভীর সন্ধ্যায় পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল শহরের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র রবীন্দ্র ভবনে এক অনন্য আধ্যাত্মিক আবহ তৈরি হয়। ‘আর্ট অফ লিভিং’-এর উদ্যোগে আয়োজিত ভজন সন্ধ্যা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ঘিরে উপচে পড়া ভিড় এবং ভক্তিমূলক পরিবেশ নজর কাড়ে সবার।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আসানসোল উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক কৃষ্ণেন্দু মুখার্জি, যিনি বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দেন। মঞ্চে পৌঁছতেই আয়োজকদের পক্ষ থেকে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয় এবং সম্মান স্মারক প্রদান করে সংবর্ধিত করা হয়।

🎶 ভক্তি ও সংস্কৃতির মেলবন্ধন

পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে—

👉 মধুর ভজন পরিবেশন
👉 মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক উপস্থাপনা
👉 শান্ত ও আধ্যাত্মিক পরিবেশ

এই সবকিছুর মিলিত প্রভাবে দর্শকরা এক আবেগঘন অভিজ্ঞতার সাক্ষী হন। উপস্থিত মানুষজন রাত অবধি এই অনুষ্ঠান উপভোগ করেন এবং অনেকেই জানান, এমন অনুষ্ঠান মানসিক শান্তি এনে দেয়।

94f0a1fe b779 451e 9f35 ae488c7f4bcf

🌟 বিধায়কের বক্তব্যে নতুন ইঙ্গিত

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কৃষ্ণেন্দু মুখার্জি বলেন—

👉 “এই ধরনের ভক্তিমূলক অনুষ্ঠান সত্যিই অসাধারণ, মানুষের অংশগ্রহণ দেখে ভালো লাগছে।”

তিনি আরও জানান—

✔️ ‘আর্ট অফ লিভিং’ নিয়মিত সমাজ ও স্বাস্থ্য সংক্রান্ত নানা কার্যক্রম আয়োজন করে
✔️ বহুদিন ধরেই তাঁকে এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছিল
✔️ বিধায়ক হওয়ার পর এই প্রথম তিনি এতে অংশ নিলেন

⚡ ‘পরিবর্তনের’ প্রসঙ্গ তুললেন বিধায়ক

নিজের বক্তব্যে তিনি আরও বলেন—

👉 “আগে মানুষ যেন এক ধরনের চাপের মধ্যে ছিল, কিন্তু এখন সেই পরিবেশ বদলেছে।”
👉 “ক্ষমতার পরিবর্তনের পর মানুষের মধ্যে আনন্দ ও উৎসাহ বেড়েছে।”

তার মতে, এখন মানুষ অনেক বেশি স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই ধরনের সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করছে।

🙏 সমাজে আধ্যাত্মিকতার প্রভাব

স্থানীয়দের মতে—

👉 এই ধরনের অনুষ্ঠান শুধু বিনোদন নয়
👉 বরং মানসিক শান্তি ও সামাজিক ঐক্যের বার্তা দেয়

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ব্যস্ত জীবনে এই ধরনের আধ্যাত্মিক আয়োজন মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

🔍 উপসংহার

আসানসোলের রবীন্দ্র ভবনে আয়োজিত এই ভজন সন্ধ্যা শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, বরং শহরের সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক চেতনার প্রতিফলন।

👉 বিপুল মানুষের উপস্থিতি প্রমাণ করে—
❗ সমাজে এই ধরনের ইতিবাচক আয়োজনের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে

এখন দেখার, ভবিষ্যতে এমন আয়োজন আরও কতটা মানুষের মধ্যে প্রভাব ফেলতে পারে।

ezgif 22b6a523914e707e
ghanty

Leave a comment