Friday, 9 October 2026
Advertisement
ब्रेकिंग न्यूज़
जेके नगर में महिला की रहस्यमय मौत से सनसनी, बेटी-बेटे ने लगाया हत्या का आरोप चीनाकोड़ी गोपाल महतो हत्याकांड में बड़ी कार्रवाई, मुख्य आरोपी अनिल मुनिया गिरफ्तार डॉक्टरों को महंगे तोहफे और विदेश यात्राएं देने पर लगेगी लगाम, सुप्रीम कोर्ट सख्त ‘क्लीन आसनसोल, ग्रीन आसनसोल’ अभियान तेज, वार्ड 30-31 में निर्मल साथियों ने किया जागरूक पीएमओ फर्जी कर्मी मामले में रोहित नोनिया के दोनों दामाद गिरफ्तार, बिहार तक पहुंची जांच रोहित नोनिया के नाम से ‘इनामी’ पोस्टर वायरल, ₹50,001 का दावा; धेमोमेन में बढ़ी हलचल जेके नगर में महिला की रहस्यमय मौत से सनसनी, बेटी-बेटे ने लगाया हत्या का आरोप चीनाकोड़ी गोपाल महतो हत्याकांड में बड़ी कार्रवाई, मुख्य आरोपी अनिल मुनिया गिरफ्तार डॉक्टरों को महंगे तोहफे और विदेश यात्राएं देने पर लगेगी लगाम, सुप्रीम कोर्ट सख्त ‘क्लीन आसनसोल, ग्रीन आसनसोल’ अभियान तेज, वार्ड 30-31 में निर्मल साथियों ने किया जागरूक पीएमओ फर्जी कर्मी मामले में रोहित नोनिया के दोनों दामाद गिरफ्तार, बिहार तक पहुंची जांच रोहित नोनिया के नाम से ‘इनामी’ पोस्टर वायरल, ₹50,001 का दावा; धेमोमेन में बढ़ी हलचल
Viral News

আসানসোল বাসস্ট্যান্ডে ‘ডেভেলপমেন্ট ফি’ কেলেঙ্কারি? ১৫ বছরের হিসাব নিয়ে তোলপাড়

Moutushi · 13 May 2026, 4:02 PM

আসানসোল:
পশ্চিমবঙ্গের আসানসোল বাসস্ট্যান্ডে দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা তথাকথিত “ডেভেলপমেন্ট ফি” আদায় ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ভারতীয় জনতা পার্টি-র নেতৃবৃন্দ ও শ্রমিক সংগঠনগুলি এই দৈনিক অর্থ সংগ্রহ নিয়ে প্রশ্ন তুলে পুরো ঘটনার স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছে।

🚨 ১৫ বছরের আদায়, কিন্তু উন্নয়ন কোথায়?

অভিযোগ অনুযায়ী—

👉 গত প্রায় ১৫ বছর ধরে বাসস্ট্যান্ড থেকে চলাচলকারী বাসগুলির কাছ থেকে
👉 প্রতিদিন ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত “ডেভেলপমেন্ট ফি” আদায় করা হয়েছে

কিন্তু বাস্তবে—

❗ যাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত পানীয় জল নেই
❗ শৌচাগার ও অপেক্ষাকক্ষের অবস্থা শোচনীয়
❗ চালকদের জন্যও নেই ন্যূনতম সুবিধা

💰 লাখ লাখ টাকা, নেই স্পষ্ট হিসাব

বিজেপি নেতাদের দাবি—

👉 উন্নয়নের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা তোলা হয়েছে
👉 কিন্তু সেই অর্থ কোথায় খরচ হয়েছে, তার কোনও স্বচ্ছ হিসাব নেই

নীলু হাজরা অভিযোগ করে বলেন—

👉 প্রতিদিন শতাধিক বাস বাসস্ট্যান্ড থেকে চলাচল করে
👉 দীর্ঘদিন ধরে তাদের কাছ থেকে টাকা আদায় করা হচ্ছে

➡️ যদি এই টাকা আসানসোল পৌরনিগম-এর তহবিলে জমা হয়ে থাকে,
তাহলে তার পূর্ণ বিবরণ জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে

📜 ২০১৪ সালের চিঠি ঘিরে নতুন করে বিতর্ক

এই ইস্যু আবার সামনে আসে যখন—

রাজু আহলুওয়ালিয়া একটি পুরনো চিঠির প্রসঙ্গ তোলেন

👉 ২০১৪ সালে তৎকালীন মেয়র ও প্রাক্তন বিধায়ক
তাপস বন্দ্যোপাধ্যায় একটি চিঠি পাঠিয়েছিলেন

👉 অভিযোগ, ওই চিঠির ভিত্তিতে
অশিম মিত্র-কে

✔️ প্রতি বাসে ৫ টাকা করে ফি আদায়ের অনুমতি দেওয়া হয়

👉 আগস্ট ২০০৯ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০১৪ পর্যন্ত—
✔️ প্রায় ২৬ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা আদায় করা হয়
✔️ কিন্তু জমা পড়ে মাত্র ৮ লক্ষ ৩৯ হাজার ৩৫০ টাকা

❗ বাকি টাকা কোথায় গেল—এই প্রশ্নই এখন সবচেয়ে বড় রহস্য

📄 আরটিআই-এ চাওয়া হল পূর্ণ তথ্য

তথ্যের অধিকার আইন-এর মাধ্যমে রাজু আহলুওয়ালিয়া জানতে চেয়েছেন—

👉 কোন নিয়মে ব্যক্তিগতভাবে ফি তোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল?
👉 মোট কত টাকা আদায় হয়েছে?
👉 কত টাকা পৌরনিগমে জমা পড়েছে?
👉 কোনও সরকারি রসিদ দেওয়া হতো কি না?

তিনি আরও অভিযোগ করেন—

👉 স্বচ্ছ প্রক্রিয়া ছাড়াই ঘনিষ্ঠদের টেন্ডার দেওয়া হয়
👉 যার ফলে দুর্নীতি বাড়ছে

🏛️ তদন্তের দাবিতে সরব বিধায়ক

কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায় বলেন—

👉 যদি পৌরনিগমের নামে অবৈধভাবে টাকা তোলা হয়ে থাকে
👉 তাহলে পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি

👉 দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত

তিনি আরও বলেন—

❗ “কাট মানি বা সিন্ডিকেট সংস্কৃতিকে কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না”

🚍 প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা আদায়?

তথ্য অনুযায়ী—

👉 বাসস্ট্যান্ড থেকে প্রায় ৩৫০টি মিনিবাস ও
👉 ২৫০টি বড় বাস চলাচল করে

👉 যদি প্রতিটি বাস থেকে ১০–২০ টাকা নেওয়া হয়—
➡️ তাহলে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা আদায় সম্ভব
➡️ যা মাস ও বছরে গিয়ে দাঁড়ায় লক্ষাধিক টাকায়

😡 চালকদের ক্ষোভ বাড়ছে

শ্রমিক সংগঠনগুলির অভিযোগ—

👉 অনেক চালক ভয় ও চাপে মুখ খুলতে পারেন না
👉 প্রতিবাদ করলে হেনস্থা ও চাপ সৃষ্টি করা হয়

❓ বড় প্রশ্ন রয়ে গেল

👉 এত বছর ধরে যদি “ডেভেলপমেন্ট ফি” নেওয়া হয়ে থাকে—

তাহলে—

❗ বাসস্ট্যান্ডে মৌলিক পরিষেবার উন্নতি কেন হয়নি?

📢 উপসংহার

আসানসোল বাসস্ট্যান্ডের এই ঘটনা এখন শুধু একটি স্থানীয় বিতর্ক নয়,
বরং এটি দুর্নীতি, স্বচ্ছতা এবং প্রশাসনিক জবাবদিহিতার বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

👉 এখন সকলের নজর জেলা প্রশাসন ও পৌরনিগমের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—বছরের পর বছর ‘ডেভেলপমেন্ট ফি’ নামে তোলা এই টাকা আসলে কোথায় গেল? এবং আদৌ কি নিরপেক্ষ তদন্ত সম্ভব হবে?

Advertisement