রানিগঞ্জে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ-এর উদ্যোগে এক বিশেষ সভা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল এলাকাজুড়ে। শ্রী শ্রী সীতারামজি ভবনে অনুষ্ঠিত এই সভায় জাতীয়তাবাদ, অখণ্ড ভারত এবং সনাতন সংস্কৃতির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন বহু কর্মী, পদাধিকারী এবং সাধারণ মানুষ, ফলে গোটা অনুষ্ঠানটি এক বড় সামাজিক সমাবেশে পরিণত হয়।
🕉️ “বিশ্ব হিন্দু বার্তা” নিয়ে জোরালো প্রচার
সভায় সংগঠনের মুখপত্র “বিশ্ব হিন্দু বার্তা”-র প্রচার ও প্রসার নিয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
👉 বক্তাদের বক্তব্য, এটি শুধু একটি পত্রিকা নয়
👉 সনাতন সংস্কৃতি ও জাতীয় চেতনা ছড়িয়ে দেওয়ার শক্তিশালী মাধ্যম
👉 দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রম এতে তুলে ধরা হয়
সাধারণ মানুষকে এই পত্রিকা পড়া, সাবস্ক্রাইব করা এবং অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
🇮🇳 অখণ্ড ভারত ও জাতীয়তাবাদ নিয়ে জোরালো বার্তা
জাতীয় প্রচার প্রধান জয়ন্ত ভৌমিক বলেন—
👉 অরবিন্দ ঘোষ-এর অখণ্ড ভারতের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা প্রত্যেক দেশপ্রেমিকের দায়িত্ব
👉 অতীতে কংগ্রেস ও বামপন্থী সরকার তুষ্টিকরণের রাজনীতি করেছে বলে অভিযোগ
👉 বর্তমান সময়ে জাতীয়তাবাদী চিন্তাধারা আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে
🗣️ পার্থ ঘোষের বড় মন্তব্য
রানিগঞ্জের বিজেপি বিধায়ক পার্থ ঘোষ সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন—
👉 বর্তমান সমাজে এই ধরনের অনুষ্ঠানের অত্যন্ত প্রয়োজন
👉 হিন্দু সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করে সাংস্কৃতিক চেতনা জোরদার করতে হবে
👉 শুধু পরিকল্পনা নয়, বাস্তবায়নের দিকে জোর দিতে হবে
তিনি আরও বলেন—
👉 আগের সরকারের কারণে অর্থের সংকট তৈরি হয়েছে
👉 তবে নরেন্দ্র মোদী ও শুভেন্দু অধিকারী-র নেতৃত্বে সমস্যার সমাধান সম্ভব
📢 সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা
👉 সরকারি প্রকল্পের ফর্ম সঠিকভাবে পূরণ করার আহ্বান
👉 ছোট ভুলের কারণে অনেকেই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন
👉 সচেতনতা বাড়ানোর উপর বিশেষ জোর
🚩 রামনবমী নিয়ে বড় ঘোষণা
রামনবমী উপলক্ষে বড় ঘোষণা করেন পার্থ ঘোষ—
👉 এবারও রানিগঞ্জে বিশাল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে
👉 তিনি নিজে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেবেন
👉 ঐতিহ্য বজায় রেখে আরও বড় আয়োজনের পরিকল্পনা
👥 সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার ডাক
জেলाध्यक्ष মনীশ কুমার শর্মা বলেন—
👉 সংগঠনকে গ্রাম ও শহরের স্তরে আরও সক্রিয় করতে হবে
👉 সমাজের প্রতিটি স্তরে ভাবধারা পৌঁছে দিতে হবে
👉 সামাজিক ঐক্য ও সাংস্কৃতিক চেতনা বাড়ানোই মূল লক্ষ্য
👥 কারা ছিলেন উপস্থিত?
এই সভায় উপস্থিত ছিলেন—
👉 তেজ প্রতাপ সিংহ
👉 তুষার বন্দ্যোপাধ্যায়
👉 সৈকত বিশ্বাস
👉 রাজীব বারুই
👉 বলাই মণ্ডল
👉 শান্তনু মুখার্জি
👉 রামজি সাও
👉 বিশ্বজিৎ গোরাই
👉 অর্চিতা সাও সহ আরও অনেকে
🔚 উপসংহার
রানিগঞ্জের এই সভা শুধু একটি সংগঠনের অনুষ্ঠান নয়, বরং বৃহত্তর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
👉 জাতীয়তাবাদ ও সনাতন সংস্কৃতির উপর বাড়তি জোর
👉 সংগঠন বিস্তারের নতুন পরিকল্পনা
👉 ভবিষ্যতে আরও বড় কর্মসূচির সম্ভাবনা
সব মিলিয়ে, এই সভা রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।















