রূপনারায়ণপুর:
মধ্যরাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে রূপনারায়ণপুরের সবজি বাজার কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হল। হঠাৎ করে ছড়িয়ে পড়া আগুনের লেলিহান শিখায় মুহূর্তের মধ্যে একাধিক দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। দোকানের ভিতরে মজুত থাকা সমস্ত পণ্য সম্পূর্ণভাবে আগুনে নষ্ট হয়ে যায়, ফলে ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।
🔥 কীভাবে ঘটল এই অগ্নিকাণ্ড?
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাত প্রায় ১১টা নাগাদ বাজার এলাকা থেকে আগুনের শিখা দেখতে পান বাসিন্দারা। সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ ও দমকল বিভাগকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে।
🚒 উদ্ধারকাজে স্থানীয়দের ভূমিকা
আগুন লাগার খবর ছড়িয়ে পড়তেই আশপাশের দোকানদার, স্থানীয় বাসিন্দা এবং বিজেপি নেতারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগান। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলতে থাকে।
⏳ দেরিতে পৌঁছল দমকল, বাড়ল ক্ষয়ক্ষতি
প্রায় দেড় ঘণ্টা পর প্রথমে চিত্তরঞ্জন এবং পরে আসানসোল থেকে দমকলের দুটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। ততক্ষণে আগুন অনেকটাই ছড়িয়ে পড়েছিল। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, এই ঘটনায় ২০টিরও বেশি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

🚧 বড় বাধা হয়ে দাঁড়াল সংকীর্ণ রাস্তা
বাজারের দু’পাশে সারি সারি দোকান থাকার কারণে দমকলের গাড়ি ভেতরে ঢুকতে পারেনি। ফলে দমকল কর্মীদের দীর্ঘ পাইপ টেনে আগুনের উৎসস্থলে পৌঁছতে হয়। কঠোর পরিশ্রম ও দীর্ঘ চেষ্টার পর অবশেষে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
😔 প্রাণহানি নেই, কিন্তু ক্ষতি বিপুল
ঘটনাটি গভীর রাতে ঘটায় বাজারে ভিড় ছিল না, ফলে কোনও প্রাণহানি বা বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেনি। তবে ব্যবসায়ীদের মতে, কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাদের বছরের পর বছর পরিশ্রম সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে।
🔍 তদন্তে পুলিশ ও দমকল
এখনও পর্যন্ত আগুন লাগার সঠিক কারণ জানা যায়নি। শর্ট সার্কিট বা অন্য কোনও কারণে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে পুলিশ ও দমকল বিভাগ যৌথভাবে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
👉 এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড আবারও বাজার এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং অগ্নিনির্বাপণ পরিকাঠামোর ঘাটতি নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিল। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের কাছে দ্রুত সাহায্য ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন।















