রূপনারায়ণপুর: রূপনারায়ণপুর থেকে চিত্তরঞ্জন ৩ নম্বর গেট পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ প্রধান সড়ক বর্তমানে একেবারে বেহাল অবস্থায়, যা এখন কার্যত ‘মৃত্যুফাঁদ’-এ পরিণত হয়েছে।
👉 রাস্তার সর্বত্র বড় বড় গর্ত, তার মধ্যে জমে থাকা বৃষ্টির জল—সব মিলিয়ে প্রতিদিনই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। সাধারণ মানুষের মধ্যে বাড়ছে আতঙ্ক।
🚧 প্রতিদিনই দুর্ঘটনা, বাড়ছে ভোগান্তি
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ—
👉 বৃষ্টির জলে ভরা গর্তের গভীরতা বোঝা যায় না, ফলে হঠাৎই বাইক বা সাইকেল দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে।
👉 অনেক গাড়িও মাঝপথে বিকল হয়ে পড়ছে।
👉 এই অবস্থায় যাতায়াত করা এখন চরম ঝুঁকির হয়ে উঠেছে।
🛣️ হাজারো মানুষের লাইফলাইন এখন বিপজ্জনক
এই রাস্তা আসানসোল ও চিত্তরঞ্জনকে যুক্ত করা একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগপথ।
📢 প্রতিদিন এই পথ ব্যবহার করেন—
- চিত্তরঞ্জন লোকোমোটিভ ওয়ার্কস (চিরেকা)-এর কর্মীরা
- স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রী
- হাসপাতালগামী রোগী ও বয়স্ক মানুষ
👉 কিন্তু এখন সকলেই বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছেন।
👉 উপরন্তু, ভারী পণ্যবাহী ট্রাকের চলাচল রাস্তার অবস্থা আরও খারাপ করে তুলছে।
📄 বিডিওর কাছে স্মারকলিপি, ক্ষোভ প্রকাশ
পরিস্থিতির উন্নতির দাবিতে চিত্তরঞ্জন রেলওয়ে মেনস কংগ্রেস (সিআরএমসি)
সালানপুরের বিডিও দেবাঞ্জন বিশ্বাস-এর কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছে।
👉 সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ইন্দ্রজিৎ সিং বলেন—
“আগের সরকারকেও এই রাস্তা মেরামতের দাবি জানানো হয়েছিল, কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। সরকার বদলালেও পরিস্থিতি একই রয়ে গেছে।”
⚠️ ফান্ডের অভাবের অজুহাত নিয়ে বিতর্ক
বিডিও বিষয়টি নিয়ে আসানসোল-দুর্গাপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এডিডিএ)-এর সঙ্গে কথা বললে তারা ফান্ডের অভাবের কথা জানায়।
👉 এ প্রসঙ্গে ইন্দ্রজিৎ সিং পাল্টা বলেন—
“প্রতিটি দপ্তরেরই জরুরি তহবিল থাকে। জনস্বার্থে তা অবিলম্বে ব্যবহার করা উচিত।”
🏭 সিএসআর ফান্ডে সমাধানের আশা
সংগঠনের দাবি, রাস্তার এই বেহাল অবস্থার জন্য চিরেকার ভারী যানবাহনও আংশিক দায়ী।
👉 তাই খুব শীঘ্রই চিরেকার জেনারেল ম্যানেজারের সঙ্গে দেখা করে
সিএসআর ফান্ডের মাধ্যমে রাস্তা মেরামতের আবেদন জানানো হবে।
🌟 কেন গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়?
- প্রতিদিন হাজারো মানুষের নিরাপত্তা জড়িত
- বর্ষার সময় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়েছে
- প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে
✅ উপসংহার:
রূপনারায়ণপুর-চিত্তরঞ্জন সড়কের এই বেহাল দশা প্রমাণ করে—
👉 দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বড় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা বাড়বে।
🎯 এখন দেখার বিষয়, বর্ষার এই সময়ে প্রশাসন ও চিরেকা কর্তৃপক্ষ কত দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দেয়।

