আসানসোল: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের উত্তাপের মাঝেই আসানসোল উত্তর কেন্দ্রে রাজনৈতিক লড়াই ক্রমেই তীব্র হয়ে উঠছে। কংগ্রেস প্রার্থী প্রসেনজিৎ পুইটুণ্ডি “পরিবর্তন”-এর স্লোগানকে সামনে রেখে নিজের নির্বাচনী প্রচার আরও জোরদার করেছেন।
বুধবার তিনি গোपालপুর, মনোজ এলাকা এবং পশ্চিম আপকার গার্ডেনের ৫৫ নম্বর ওয়ার্ডে ব্যাপক জনসংযোগ কর্মসূচি চালান। এলাকায় এলাকায় ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তাঁদের সমস্যা শোনেন এবং পরিবর্তনের পক্ষে জনমত গড়ে তুলতে সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছেন।
⚡ সরাসরি আক্রমণে কংগ্রেস প্রার্থী
প্রচারের মাঝেই প্রসেনজিৎ পুইটুণ্ডি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং স্থানীয় মন্ত্রীর বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান। তাঁর অভিযোগ—
- আসানসোল উত্তরের বিভিন্ন এলাকায় নেশার প্রকোপ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে
- সাধারণ মানুষ মৌলিক পরিষেবা থেকে বঞ্চিত
- উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি বাস্তবে রূপ পায়নি
তিনি দাবি করেন, বর্তমান সরকার এই সমস্যাগুলির সমাধানে সম্পূর্ণ ব্যর্থ।
🚶♂️ প্রচার ও আন্দোলন—দুই পথেই লড়াই
শুধু নির্বাচনী প্রচার নয়, এই সব ইস্যুকে সামনে রেখে আন্দোলনও জোরদার করছেন প্রসেনজিৎ। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে নিয়ে সমস্যার সমাধানের দাবিতে তিনি সরব হয়েছেন। ফলে, তাঁর প্রচার এখন শুধু ভোটের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং একপ্রকার জনআন্দোলনের রূপ নিচ্ছে।
🗳️ ‘পরিবর্তন’ ইস্যুতে উত্তপ্ত রাজনীতি
এই কেন্দ্রে “পরিবর্তন”-এর ডাককে সামনে রেখে কংগ্রেস প্রার্থী নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি করার চেষ্টা করছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে—
- যুবসমাজের মধ্যে তাঁর প্রচার প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে
- স্থানীয় ইস্যুগুলিকে সামনে আনার ফলে ভোটের সমীকরণ বদলাতে পারে
- তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটিতে চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে
📊 সামনে কী?
আসানসোল উত্তর কেন্দ্র এখন রাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আসনে পরিণত হয়েছে। নেশা, বেকারত্ব এবং পরিষেবা ঘাটতির মতো ইস্যুতে ভোটারদের মন জয় করতে পারলেই ফলাফল বদলাতে পারে।
🔍 উপসংহার
আসানসোল উত্তরে প্রসেনজিৎ পুইটুণ্ডির জোরদার প্রচার এবং “পরিবর্তন”-এর ইস্যু রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা তৈরি করেছে। এখন দেখার, এই প্রচার কতটা মানুষের মন জয় করতে পারে এবং নির্বাচনের ফলাফলে তার কতটা প্রভাব পড়ে।















