বিধান উপাধ্যায়কে ঘিরে বিতর্ক, কমিউনিটি সেন্টার নিয়ে বড় প্রশ্ন

বারাবনি: পশ্চিম বর্ধমানের বারাবনি বিধানসভা এলাকার পাঁচগছিয়ায় একটি সরকারি কমিউনিটি সেন্টারকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, এই সরকারি ভবনটি দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বারাবনির প্রাক্তন বিধায়ক এবং আসানসোল পুরনিগমের মেয়র বিধান উপাধ্যায়-এর প্রভাবেই এই কমিউনিটি সেন্টারে দলীয় কার্যকলাপ চলত। বহুদিন ধরেই এখানে পার্টির অফিস পরিচালিত হচ্ছিল বলে দাবি এলাকাবাসীর।

সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর প্রশাসন এই বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করে। বারাবনি বিডিও দপ্তরের উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট সরকারি সম্পত্তিটি নিজেদের হেফাজতে নিয়ে ভবনটিতে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। পাশাপাশি একটি নোটিস টাঙানো হয়, যেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে এটি একটি সরকারি সম্পত্তি।

এই ঘটনার পর থেকেই এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। প্রধান প্রশ্ন উঠছে—যদি এটি একটি সরকারি কমিউনিটি সেন্টার হয়, তাহলে এতদিন ধরে সেখানে একটি রাজনৈতিক দলের কার্যালয় কীভাবে চলল? প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নজরদারি থাকা সত্ত্বেও কেন এই বিষয়টি আগে থামানো হয়নি?

স্থানীয় মানুষের মধ্যে এই ঘটনাকে ঘিরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। কেউ প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানাচ্ছেন, আবার কেউ একে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও দাবি করছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ঘটনা সরকারি সম্পত্তির সঠিক ব্যবহার ও প্রশাসনিক নজরদারির উপর বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। ভবিষ্যতে এই বিষয়টি আরও বড় রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

বর্তমানে পাঁচগছিয়ার ওই কমিউনিটি সেন্টারটি তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে এবং প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রয়েছে সকলের।

Leave a comment