পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে ফের উত্তেজনা চরমে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২ জুন কলকাতার ধর্মতলার রানী রাসমণি রোডে ধরনায় বসতে চলেছেন। ভোট-পরবর্তী হিংসার অভিযোগকে সামনে রেখে এই বড় কর্মসূচি গ্রহণ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।
📍 ধর্মতলায় বড় শক্তি প্রদর্শনের প্রস্তুতি
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এই কর্মসূচিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে উপস্থিত থাকবেন এবং বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থক অংশ নেবেন।
👉 ভোট-পরবর্তী হিংসার প্রতিবাদ
👉 কর্মীদের মনোবল বাড়ানো
👉 রাস্তায় নেমে রাজনৈতিক বার্তা দেওয়া
তবে এই কর্মসূচির জন্য কলকাতা পুলিশ-এর অনুমতি এখনও মেলেনি, যা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
🚨 একই দিনে বীরভূমে অভিষেক
অন্যদিকে, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ২ জুন বীরভূমে গিয়ে হিংসায় আক্রান্তদের সঙ্গে দেখা করবেন।
👉 বেলেঘাটা ও সোনারপুর দক্ষিণেও কর্মসূচি
👉 ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীদের পাশে দাঁড়ানো
👉 সংগঠনের ভেতরের পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা
রাজনৈতিক মহলের মতে, এই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
⚠️ ভোটের ফলের পর বড় পরিবর্তন
৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আমূল বদলে যায়। ভারতীয় জনতা পার্টি ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটিয়ে ক্ষমতায় আসে।
👉 শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন
👉 ভবানীপুরে মমতার পরাজয়
👉 ৯ মে নতুন সরকারের সূচনা
এরপর থেকেই মমতা কালীঘাটের বাড়িতে বৈঠক করলেও এবার সরাসরি আন্দোলনের পথে হাঁটলেন।
🔥 দলের ভেতরে অসন্তোষ, বাড়ছে চাপ
তৃণমূলের ভেতরে এখন চাপ ক্রমশ বাড়ছে।
👉 কিছু নেতা অভিষেকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন
👉 একাধিক পুরসভায় কাউন্সিলরদের ইস্তফা
👉 সংগঠনে ভাঙনের আশঙ্কা
এদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহা-র মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ ঘিরেও জল্পনা বেড়েছে।
🧭 মমতার কৌশল কী?
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২ জুনের ধরনা শুধুমাত্র প্রতিবাদ নয়, বরং একটি বড় কৌশল।
👉 সংগঠনকে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা
👉 কর্মীদের একজোট করা
👉 রাজনীতিতে নতুন করে লড়াই শুরু
📌 উপসংহার
বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রেস একসঙ্গে দুই দিক থেকে চাপের মুখে—দলীয় ভাঙন ও বিরোধী রাজনীতি। এই পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একসঙ্গে মাঠে নামা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
২ জুনের কর্মসূচি শুধু একটি ধরনা নয়, বরং ভবিষ্যতের রাজনৈতিক লড়াইয়ের দিক নির্ধারণ করতে পারে—এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।














