কলকাতা/নয়াদিল্লি: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬কে সামনে রেখে বড়সড় পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। কমিশনের তরফে জারি করা এক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশে জানানো হয়েছে, সিভিক পুলিশ, গ্রিন পুলিশ এবং স্টুডেন্ট পুলিশ—এই তিন বাহিনীর কোনও সদস্যকেই নির্বাচনী কাজে নিয়োগ করা যাবে না।
⚠️ কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ—ডিউটি থেকে সম্পূর্ণ বাদ
২০২৬ সালের ৮ এপ্রিল তারিখে জারি করা এই নির্দেশে নির্বাচন কমিশন স্পষ্টভাবে জানিয়েছে:
👉 নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত কোনও কাজেই এই তিন বাহিনীকে ব্যবহার করা যাবে না।
👉 এমনকি ভোটের সময় নির্দিষ্ট কিছু দিন ইউনিফর্ম পরে ডিউটি করাও সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
📅 ভোটের আগে ও পরে বিশেষ নিষেধাজ্ঞা
নির্দেশ অনুযায়ী:
👉 ভোটের ৩ দিন আগে (পি-৩ দিন) থেকে
👉 ভোটের ১ দিন পরে (পি+১ দিন) পর্যন্ত
এই সময়ে সিভিক, গ্রিন ও স্টুডেন্ট পুলিশ কর্মীরা ইউনিফর্ম পরে কোনও ধরনের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।
📜 আগের নির্দেশের পুনরাবৃত্তি
নির্বাচন কমিশন এই নির্দেশে তাদের পূর্ববর্তী নির্দেশনাগুলিকেও উল্লেখ করেছে।
👉 বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে:
- ১ মার্চ ২০২১-এর নির্দেশ
- ২২ মার্চ ২০২৪-এর নির্দেশ
এই দুটি ক্ষেত্রেও একই ধরনের নিয়ম জারি করা হয়েছিল, যা এবার আবারও কার্যকর করা হচ্ছে।
🏛️ নির্বাচক সদন থেকে জারি নির্দেশ
এই গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশটি জারি করা হয়েছে নির্বাচক সদন, অশোকা রোড, নয়াদিল্লি থেকে এবং তা পাঠানো হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে।
👉 এই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন অবর সচিব শক্তি শর্মা।
এছাড়াও নির্দেশের কপি পাঠানো হয়েছে:
- রাজ্যের মুখ্য সচিবকে
- ডিরেক্টর জেনারেল ও আইজি (ডিজি ও আইজিপি)-কে
- কলকাতা পুলিশ কমিশনারকে
📢 রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের জানানো বাধ্যতামূলক
নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে যে, এই আদেশ সম্পর্কে:
👉 সমস্ত রাজনৈতিক দল
👉 নির্বাচনী প্রার্থী
—সকলকেই অবহিত করতে হবে, যাতে নিয়ম মেনে চলা নিশ্চিত হয়।
🔎 কেন এই কড়া সিদ্ধান্ত?
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য:
👉 নির্বাচন প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ রাখা
👉 নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও ধরনের পক্ষপাতিত্ব রোধ করা
👉 সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আস্থা বৃদ্ধি করা
⚡ ভোটের আগে বাড়ছে কড়াকড়ি
পশ্চিমবঙ্গের মতো স্পর্শকাতর রাজ্যে নির্বাচনকে ঘিরে সবসময়ই উত্তেজনা থাকে। তাই কমিশনের এই নির্দেশকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
👉 এটি শুধু একটি প্রশাসনিক নির্দেশ নয়,
👉 বরং নিরপেক্ষ ভোট নিশ্চিত করার একটি বড় পদক্ষেপ।














