আসানসোল:
পশ্চিম বর্ধমান জেলার কূল্টি বিধানসভা এলাকার চিনাকুড়ি অঞ্চলে মঙ্গলবার চাকরির দাবিতে ব্যাপক বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন গ্রামবাসীরা। গ্রাম কমিটির উদ্যোগে চিনাকুড়ি নম্বর-২ থেকে চিনাকুড়ি নম্বর-৩ কোলিয়ারি গেটের সামনে এই বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিপুল সংখ্যক স্থানীয় নারী ও পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।
🚨 কোলিয়ারি গেটে তীব্র বিক্ষোভ
👉 শতাধিক গ্রামবাসী কোলিয়ারি গেটের সামনে জড়ো হন
👉 নারী-পুরুষ একসঙ্গে অংশ নিয়ে আন্দোলনকে শক্তিশালী করে তোলেন
👉 বিক্ষোভের সময় জোরালো স্লোগান ও প্রতিবাদ মিছিল দেখা যায়
⚠️ মূল দাবি কী?
প্রতিবাদকারীদের প্রধান দাবিগুলি—
👉 কয়লা উত্তোলনের দায়িত্বপ্রাপ্ত বেসরকারি সংস্থায় স্থানীয় বেকার যুবকদের চাকরি দিতে হবে
👉 এলাকাবাসীদের কর্মসংস্থানে অগ্রাধিকার দিতে হবে
👉 পূর্বের প্রতিশ্রুতি দ্রুত কার্যকর করতে হবে
🗣️ গ্রামবাসীদের ক্ষোভ
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ—
👉 বহুবার প্রশাসনের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে
👉 কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি
👉 বারবার প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন হয়নি
গ্রামবাসীদের বক্তব্য—
👉 “এবার আর আশ্বাস নয়, আমাদের কাজ চাই”
👉 “দাবি পূরণ না হলে বড় আন্দোলনে নামব”
📄 স্মারকলিপি পেশ
👉 সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়
👉 দ্রুত সমস্যার সমাধানের দাবি জানানো হয়
👉 প্রয়োজনে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়
🔥 আগামী দিনের পরিকল্পনা
আন্দোলনকারীরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন—
👉 শীঘ্রই দাবি না মানা হলে ধর্না ও বৃহত্তর বিক্ষোভ হবে
👉 আন্দোলন আরও তীব্র করা হবে
👉 এলাকাজুড়ে লাগাতার প্রতিবাদ কর্মসূচি চালানো হবে
🔍 বিশেষজ্ঞদের মত
বিশেষজ্ঞদের মতে—
👉 কয়লাঞ্চলে স্থানীয়দের কর্মসংস্থানের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
👉 প্রশাসন ও সংস্থার মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন
👉 দ্রুত সমাধান না হলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে পারে
🔥 উপসংহার
চিনাকুড়ির এই বিক্ষোভ—
👉 স্থানীয় বেকার যুবকদের হতাশা ও ক্ষোভের প্রতিফলন
👉 প্রশাসনের প্রতি একটি স্পষ্ট সতর্কবার্তা
এখন দেখার বিষয়, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থা এই আন্দোলনের পর কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।


