আসানসোল: বেতন বকেয়া পড়ে থাকায় চরম ক্ষোভে ফেটে পড়লেন আসানসোল পুরসভা-র জল বিভাগের ক্যাজুয়াল কর্মীরা। বকেয়া মজুরি দ্রুত মেটানোর দাবিতে তাঁরা পথে নেমে বিক্ষোভ দেখান এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
🚨 বেতন না পেয়ে বিক্ষোভ
👉 কর্মীরা জানিয়েছেন—
- দীর্ঘদিন ধরে মজুরি না পাওয়ায় পরিস্থিতি অসহনীয় হয়ে উঠেছে
- বাধ্য হয়েই আন্দোলনের পথে নামতে হয়েছে
👉 তাঁদের দাবি—
অবিলম্বে সমস্ত বকেয়া মজুরি পরিশোধ করতে হবে
💔 “ধারে চলছে সংসার”—মোহাম্মদ আফতাব আলম
👉 আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী মোহাম্মদ আফতাব আলম বলেন—
📢 “অনেকদিন ধরে বেতন পাইনি। সংসার চালানো খুব কঠিন হয়ে পড়েছে। দোকান থেকে ধারে জিনিস নিয়ে চলছিলাম, কিন্তু এখন দোকানদাররাও আর ধারে দিচ্ছেন না।”
👉 তিনি আরও জানান—
- এই পরিস্থিতির প্রভাব পড়ছে শিশুদের পড়াশোনায়
- পরিবারের নিত্যপ্রয়োজন মেটানোই এখন বড় চ্যালেঞ্জ
🏢 পুরসভায় গিয়েও মেলেনি সমাধান
👉 নিজেদের সমস্যা জানাতে কর্মীরা পুরসভায় গেলেও—
- কমিশনার ও প্রশাসনিক আধিকারিক উপস্থিত ছিলেন না
👉 পরে তাঁরা
সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন
⏳ এক সপ্তাহ সময় চাইল প্রশাসন
👉 কর্মীদের বক্তব্য অনুযায়ী—
- সচিব এক সপ্তাহ সময় চেয়েছেন
- জানিয়েছেন, সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে
👉 তহবিল এলেই বকেয়া মজুরি পরিশোধ করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে
⚡ বাড়ছে ক্ষোভ
👉 কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ ক্রমশ বাড়ছে
👉 তাঁদের স্পষ্ট বক্তব্য—
সময়মতো বেতন না পেলে আন্দোলন আরও তীব্র হবে
🛑 সমাধানের অপেক্ষায়
👉 বিশেষজ্ঞদের মতে—
- দ্রুত তহবিল ছাড় করা
- নিয়মিত বেতন প্রদান নিশ্চিত করা
👉 তাহলেই এই ধরনের সমস্যা এড়ানো সম্ভব
🌟 মানবিক সংকটের চিত্র
👉 এই ঘটনা শুধু একটি বেতন সমস্যা নয়
👉 এটি নিম্ন আয়ের কর্মীদের কঠিন বাস্তবতার প্রতিফলন
👉 আসানসোলে এই বিক্ষোভ দেখিয়ে দিল—পরিশ্রম করেও যখন প্রাপ্য মেলে না, তখন সংগ্রামই হয়ে ওঠে একমাত্র পথ।

