আসানসোলে হকার উচ্ছেদে তীব্র বিতর্ক! AIMIM সভাপতি দানিশ আজিজের বিস্ফোরক অভিযোগ

আসানসোল (পশ্চিম বর্ধমান): আসানসোল বাজারে হকার উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক ও রাজনৈতিক চাপানউতোর। পশ্চিম বর্ধমান জেলার AIMIM কমিটির সভাপতি দানিশ আজিজ এই উচ্ছেদ অভিযানের কড়া সমালোচনা করে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন।

🚨 কী অভিযোগ উঠছে?

👉 দানিশ আজিজের দাবি—
❗ আসানসোল পুরনিগমের উচ্ছেদ অভিযানে বহু হকার তাদের পণ্য ও ব্যবসার মূলধন হারিয়েছেন
❗ হকারদের জীবিকা কার্যত ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে

👉 তিনি আরও বলেন—
👉 এই উচ্ছেদ ছিল সম্পূর্ণ অসংবিধানিক ও বেআইনি

🗣️ ২৪ ঘণ্টার নির্দেশ, ১২ ঘণ্টায় অভিযান!

👉 ২০২৬ সালের ৯ জুলাই সন্ধ্যায় রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল আসানসোল বাজার এলাকা পরিদর্শন করেন
👉 অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি পুলিশ ও পুরনিগম কর্মীদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অতিক্রমণ সরানোর নির্দেশ দেন

👉 কিন্তু—
❗ মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যেই শুরু হয়ে যায় বুলডোজার অভিযান
❗ কোনও পূর্ব নোটিশ দেওয়া হয়নি
❗ পুনর্বাসনেরও কোনও ব্যবস্থা ছিল না

👉 দানিশ আজিজ দাবি করেন—
👉 এই নির্দেশের ভিডিও প্রমাণ তাদের কাছে রয়েছে

📉 পথে বসেছে বহু পরিবার

👉 উচ্ছেদ অভিযানের ফলে—
✔️ বহু হকারের দোকান ভেঙে যায়
✔️ পণ্য সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়
✔️ পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস বন্ধ হয়ে পড়ে

👉 ফলে বহু পরিবার আজ চরম অনিশ্চয়তার মুখে

⚖️ ‘বলির পাঁঠা’ তত্ত্বে নতুন বিতর্ক

👉 দানিশ আজিজ আরও অভিযোগ করেন—
👉 পুরনিগমের তিন কর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে
👉 কিন্তু আসল দায় আড়াল করতে তাদের ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হচ্ছে

👉 তার দাবি—
👉 মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের ৯ জুলাইয়ের বক্তব্য রক্ষা করতেই এই পদক্ষেপ

🔥 রাজনৈতিক উত্তাপ তুঙ্গে

👉 এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আসানসোলের রাজনৈতিক পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে
👉 বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ইতিমধ্যেই এই ইস্যুতে সরব হয়েছে

👉 সাধারণ মানুষের মধ্যেও প্রশ্ন উঠছে—
👉 নোটিশ ছাড়া উচ্ছেদ কি ন্যায়সঙ্গত?
👉 পুনর্বাসন ছাড়া এমন পদক্ষেপ কতটা মানবিক?

✨ উপসংহার

আসানসোলের এই হকার উচ্ছেদ বিতর্ক—
👉 এখন শুধুমাত্র প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, বরং বড় রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে

👉 একদিকে শহরকে দখলমুক্ত করার প্রচেষ্টা,
👉 অন্যদিকে সাধারণ মানুষের জীবিকার সংকট

👉 এখন নজর—
👉 তদন্তে কী সত্য সামনে আসে
👉 এবং ক্ষতিগ্রস্ত হকাররা আদৌ কোনও সহায়তা পান কি না।

Leave a comment