আসানসোল: শনিবার আসানসোলের রবীন্দ্র ভবনে অনুষ্ঠিত হল একটি গুরুত্বপূর্ণ ‘লাভার্থী প্রকল্প প্রশিক্ষণ শিবির’, যেখানে বিজেপির ওবিসি মোর্চা এবং যুব শাখার সদস্যরা ব্যাপক উৎসাহ নিয়ে অংশগ্রহণ করেন। এই কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট আগ্রহ ও আলোচনা তৈরি হয়েছে।
এই প্রশিক্ষণ শিবিরের মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন কেন্দ্র সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প এবং রাজ্য সরকারের প্রকল্পগুলির তথ্য সাধারণ মানুষের কাছে কীভাবে দ্রুত ও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়া যায়, সেই বিষয়ে কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া।
কর্মীদের ডিজিটাল মাধ্যম যেমন সোশ্যাল মিডিয়া, মোবাইল অ্যাপ এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মের পাশাপাশি অফলাইন পদ্ধতিতে সরাসরি মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের কৌশল শেখানো হয়। বিশেষভাবে জোর দেওয়া হয় ‘ডোর-টু-ডোর’ প্রচারের ওপর, যাতে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষও এই প্রকল্পগুলির সুবিধা পেতে পারেন।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী কর্মীদের বোঝানো হয়, কীভাবে সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা শুনে তাদের উপযুক্ত সরকারি প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত করা যায় এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বা আবেদন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করা যায়।
এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ড. অজয় পোদ্দার, আসানসোল উত্তর কেন্দ্রের বিধায়ক কৃষ্ণেন্দু মুখার্জি, জামুড়িয়া বিধায়ক বিজন মুখার্জি, পাণ্ডবেশ্বর বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি, বারাবনি বিধায়ক অরিজিৎ রায় এবং বিজেপির আসানসোল সাংগঠনিক জেলা সভাপতি দেবতনু ভট্টাচার্য।
এছাড়াও জেলা ওবিসি মোর্চার সভাপতি দিলীপ প্রসাদ, কৃষ্ণা চৌধুরী, জয় কিশন ঠাকুর, আশীষ গুপ্ত, রোহিত পাশওয়ান এবং জেলা কার্যসমিতির সদস্য সুমিত কুশওয়াহা এই কর্মসূচিকে সফল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
প্রশিক্ষণ শেষে ওবিসি মোর্চার সদস্য এবং যুব স্বেচ্ছাসেবীরা এখন মাঠে নেমে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষের কাছে সরকারি প্রকল্পের তথ্য পৌঁছে দিতে এবং তাদের সুবিধা পেতে সহায়তা করার জন্য প্রস্তুত।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের প্রশিক্ষণ শিবির শুধুমাত্র সংগঠনকে শক্তিশালী করে না, বরং জনসংযোগ বাড়িয়ে ভবিষ্যৎ নির্বাচনের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।

