দুর্গাপুর:
পশ্চিম বর্ধমানের শিল্পনগরী দুর্গাপুরে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে, যা শুধু প্রশাসন নয়, সাধারণ মানুষের মধ্যেও তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। অভিযোগ উঠেছে, নাবালক ছাত্রদের টাকার প্রলোভন দেখিয়ে রক্তদান করানো হচ্ছিল, যা আইনবিরুদ্ধ এবং অত্যন্ত বিপজ্জনক।
⚠️ কীভাবে ফাঁস হলো ঘটনা?
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কিছু ছাত্রের অস্বাভাবিক শারীরিক দুর্বলতা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়। এরপরই বিষয়টি সামনে আসে এবং অভিযোগ দায়ের করা হয়। তদন্তে নেমে পুলিশ একের পর এক চমকপ্রদ তথ্য পায়।
👥 কারা জড়িত?
প্রথমে গ্রেপ্তার করা হয় স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র দেবপ্রিয় চক্রবর্তীকে। পরে তার জেরায় উঠে আসে অমিতপ্রসাদ যাদবের নাম, যিনি টিএমসিপি-র সঙ্গে যুক্ত। তদন্তে আরও এক ব্যক্তি মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহর নাম সামনে আসে, তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
🏥 হাসপাতালের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
এই ঘটনায় দুর্গাপুরের বিধাননগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কি জানত যে দানকারীরা নাবালক? নাকি পুরো বিষয়টি গোপনে পরিচালিত হচ্ছিল?
🔍 বড় চক্রের ইঙ্গিত?
পুলিশ এখন খতিয়ে দেখছে, এটি শুধুমাত্র বিচ্ছিন্ন ঘটনা নাকি এর পেছনে রয়েছে একটি বড় সংগঠিত রক্তদান চক্র। যদি এমন কোনও র্যাকেটের অস্তিত্ব পাওয়া যায়, তাহলে বিষয়টি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।
⚖️ আদালতে পেশ ও তদন্ত
তিন অভিযুক্তকে ইতিমধ্যেই দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আরও কয়েকজনের নাম উঠে আসতে পারে এবং তদন্ত আরও বিস্তৃত করা হচ্ছে।
❗ বড় প্রশ্ন
এই ঘটনা আবারও প্রশ্ন তুলছে—আমাদের সমাজে কি শিশুদের নিরাপত্তা যথেষ্ট নিশ্চিত? টাকার লোভ দেখিয়ে নাবালকদের এমন ঝুঁকিপূর্ণ কাজে জড়ানো কতটা ভয়ংকর, তা নতুন করে ভাবাচ্ছে সকলকে।
👉 আপাতত পুলিশি তদন্ত চলছে, এবং আগামী দিনে এই মামলায় আরও বড় তথ্য সামনে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

