আসানসোল: শহরে শুরু হল ‘গৌ সম্মান আহ্বান অভিযান’, যার মাধ্যমে গরুর সম্মান, সংরক্ষণ ও সেবার জন্য জনসাধারণকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।
👉 এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হল সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে যুক্ত করে গরু সংরক্ষণ নিয়ে ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরি করা।
🐄 গোমাতাকে জাতীয় মর্যাদার দাবি
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন—
👉 গো-সম্পদ ভারতীয় সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং গ্রামীণ অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
📢 তাই সরকারের কাছে দাবি জানানো হয়েছে—
- গোমাতাকে ‘রাষ্ট্র মাতা’ বা জাতীয় উপাস্য হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে
- গরু সংরক্ষণের জন্য কঠোর ও কার্যকর আইন প্রয়োগ করতে হবে
- সারা দেশে গরু জবাই সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করতে হবে
✍️ স্বাক্ষর অভিযানে দেশজুড়ে সমর্থন
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই অভিযান চলবে ২৭ জুলাই ২০২৬ থেকে ২ অক্টোবর ২০২৬ (গৌ সম্মান দিবস) পর্যন্ত।
👉 এই সময়ের মধ্যে দেশজুড়ে একটি বড় স্বাক্ষর অভিযান চালানো হবে, যার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সমর্থন সংগ্রহ করা হবে।
📄 শেষে সমস্ত স্বাক্ষরসহ একটি স্মারকলিপি কেন্দ্র সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে।
🏛️ আলাদা মন্ত্রকের দাবি
এই কর্মসূচিতে আরও দাবি তোলা হয়েছে—
👉 গরু সেবা ও সংরক্ষণের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে একটি পৃথক মন্ত্রক গঠন করতে হবে
👉 পাশাপাশি বিদ্যমান আইনগুলির যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়েছে।
👥 বিশিষ্টদের উপস্থিতি
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রঘুনাথ প্রসাদ, পুনীত কুমার সনত্তোরিয়া এবং উৎপল রায় চৌধুরী সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি।
👉 তাঁরা সকলেই এই উদ্যোগকে সমর্থন করে সাধারণ মানুষকে বেশি সংখ্যায় যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।
🌟 কেন আলোচনায় এই উদ্যোগ?
- সংস্কৃতি ও ধর্মীয় আবেগের সঙ্গে যুক্ত বিষয়
- জাতীয় স্তরে নীতিগত পরিবর্তনের দাবি
- বড় আকারের জনঅংশগ্রহণের পরিকল্পনা
✅ উপসংহার:
আসানসোল থেকে শুরু হওয়া এই ‘গৌ সম্মান আহ্বান অভিযান’ ধীরে ধীরে একটি বৃহৎ আন্দোলনের রূপ নিতে পারে।
🎯 আয়োজকদের বক্তব্য—
👉 “এটি শুধু একটি প্রচার নয়, বরং ভারতীয় সংস্কৃতি ও মূল্যবোধকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার এক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।”
এখন দেখার বিষয়, এই উদ্যোগ কতটা জনসমর্থন পায় এবং ভবিষ্যতে সরকার কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

