রূপনারায়ণপুর: সালানপুর থানার অধীন রূপনারায়ণপুর পুলিশ ফাঁড়ি বড়সড় সাফল্য অর্জন করেছে। মাত্র ১০ দিনের মধ্যেই একটি বড় চুরির ঘটনার কিনারা করে বিপুল পরিমাণ সোনা-রূপোর গয়না ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের এই দ্রুত পদক্ষেপে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
🏠 ফাঁকা বাড়িকেই টার্গেট করেছিল দুষ্কৃতীরা
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ জুলাই রাতে পশ্চিম রাঙামাটিয়া এলাকায়, রূপনারায়ণপুর স্টেশন রোড সংলগ্ন ‘পণ্ডিত বাবু’-র ফাঁকা বাড়িতে এই চুরির ঘটনা ঘটে। পরিবারের সদস্যরা বাইরে থাকায় সুযোগ নিয়ে দুষ্কৃতীরা বাড়ির তালা ভেঙে ভেতরে ঢোকে এবং আলমারি ও লকার তছনছ করে সোনা-রূপোর গয়না ও নগদ অর্থ নিয়ে চম্পট দেয়।
🚨 সন্দেহভাজন যুবক ধরা পড়তেই মিলল সাফল্য
অভিযোগ দায়েরের পরই ফাঁড়ির ইনচার্জ সুমঙ্গল সরকার-এর নেতৃত্বে তদন্ত শুরু হয়। এলাকায় তল্লাশি ও সাদা পোশাকে নজরদারি চালানো হয়।
ঘটনার প্রায় এক সপ্তাহ পর, ১২ জুলাই গভীর রাতে এক যুবককে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখে পুলিশ তাকে আটক করে। ধৃতের নাম অভিত পাশি (২০), বাড়ি ঝাড়খণ্ডের মিহিজাম।

🔍 রিমান্ডে জেরায় ভাঙল চোর
আদালতে পেশ করে অভিযুক্তকে ৫ দিনের পুলিশ রিমান্ডে নেওয়া হয়। কড়া জিজ্ঞাসাবাদে সে ভেঙে পড়ে এবং কোথায় কোথায় চুরি করা জিনিস বিক্রি করেছে তা স্বীকার করে। তার বয়ানের ভিত্তিতে পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে সব চুরি যাওয়া সামগ্রী উদ্ধার করে।
💰 কী কী উদ্ধার হয়েছে?
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে—
- ২টি সোনার বালা
- সোনার দুল
- একাধিক আংটি ও ব্রেসলেট
- ১টি বড় রূপোর চেন ও ৩টি ছোট চেন
- ১টি কোমরবন্ধ (বিছে) ও ১টি রূপোর কোমরচেন
- ১টি দামি ক্যামেরা
- ২টি হাতঘড়ি
👏 পুলিশের ভূমিকায় প্রশংসার ঝড়
চুরির মাত্র ১০ দিনের মধ্যেই এই বিপুল সামগ্রী উদ্ধার হওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় মানুষ রূপনারায়ণপুর পুলিশের এই তৎপরতা ও সাহসিকতার প্রশংসা করেছেন।
🔗 বড় চক্রের খোঁজে তদন্ত
পুলিশের অনুমান, এই ঘটনায় আরও কয়েকজন জড়িত থাকতে পারে। পুরো চক্রটিকে ধরতে তদন্ত চালানো হচ্ছে।
👉 দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপে রূপনারায়ণপুর পুলিশ আবারও প্রমাণ করল—আইনের হাত অনেক লম্বা।
🚔 এবার দেখার, এই চক্রের বাকি সদস্যরা কবে ধরা পড়ে!


