পশ্চিম বর্ধমান: ‘গুন্ডা দমন বিল’ নিয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন পশ্চিম বর্ধমান জেলা সভাপতি ও AIMIM নেতা দানিশ আজিজ। তিনি এই বিলকে সরাসরি “ঢপের চপ” বলে কটাক্ষ করে দাবি করেন, এটি সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার একটি কৌশল মাত্র।
⚡ “গুন্ডারাজ শেষ হয়নি, বরং আরও শক্তিশালী”
দানিশ আজিজের অভিযোগ—
👉 তৃণমূল কংগ্রেসের আমলে যেসব দুষ্কৃতী ও অপরাধীদের ব্যবহার করে বিরোধীদের ভয় দেখানো হতো
👉 সেই একই চক্র এখনও সক্রিয়
তিনি বলেন—
👉 সরকার পরিবর্তন হলেও বাস্তবে কোনও পরিবর্তন ঘটেনি
👉 গুন্ডারাজ ও সিন্ডিকেট ব্যবস্থা আগের মতোই চলছে, বরং আরও বিস্তৃত হয়েছে
🔥 “শুধু পতাকার রং বদলেছে”
AIMIM নেতা তীব্র কটাক্ষ করে বলেন—
👉 “আগে সবুজ ছিল, এখন গেরুয়া হয়েছে, কিন্তু কাজ একই রয়ে গেছে।”
তার দাবি—
👉 শুধু রাজনৈতিক রং বদলেছে
👉 কিন্তু ভেতরের কাঠামো ও সিন্ডিকেট চক্র একই রয়েছে

🏭 শিল্প ও ব্যবসায় সিন্ডিকেটের দাপট
দানিশ আজিজ অভিযোগ করেন—
👉 ইস্কো স্টিল প্ল্যান্ট, ইসিএল ও বালুর ব্যবসায় একই সিন্ডিকেট সক্রিয়
👉 দুর্গাপুর থেকে বরাকর পর্যন্ত কয়লা ব্যবসা আগের মতোই চলছে
👉 ইস্কোতে সিন্ডিকেট রাজ আরও বড় আকার নিয়েছে
তার কথায়—
👉 তৃণমূল আমলে যারা সক্রিয় ছিল, তারাই এখনও সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করছে
🗣️ সরকারের বিরুদ্ধে সরাসরি আক্রমণ
তিনি বলেন—
👉 আগে মন্ত্রীরা বড় বড় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে—
✔️ গুন্ডারাজ বন্ধ হবে
✔️ সিন্ডিকেট রাজ নির্মূল করা হবে
👉 কিন্তু বাস্তবে—
❗ সেই একই গোষ্ঠীর সঙ্গে হাত মিলিয়ে আরও বড় সিন্ডিকেট চালানো হচ্ছে
⚖️ “গুন্ডা দমন আইন শুধুই প্রহসন”
দানিশ আজিজ মুখ্যমন্ত্রী ও সুবেন্দু অধিকারী-র নেতৃত্বাধীন সরকারের সমালোচনা করে বলেন—
👉 গুন্ডারাজ বন্ধের নামে যে আইন আনা হয়েছে
👉 তা আসলে একটি প্রহসন
তার স্পষ্ট বক্তব্য—
👉 “এই বিল সম্পূর্ণ ঢপের চপ, অর্থাৎ মানুষের চোখে ধুলো দেওয়ার চেষ্টা।”
✨ উপসংহার
এই মন্তব্যের পর পশ্চিম বর্ধমানের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
👉 এখন দেখার বিষয়—
👉 রাজ্য সরকার এই অভিযোগের কী জবাব দেয়
👉 এবং বাস্তবে গুন্ডা দমন বিল কতটা কার্যকর হয়
👉 সাধারণ মানুষের আশা—রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে এলাকায় শান্তি ও স্বচ্ছতা ফিরে আসুক।


