কুল্টি :
কুল্টি বিধানসভা এলাকায় এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করল ‘জনতা দরবার’। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী ও কুল্টির বিধায়ক ডা. অজয় পোদ্দার-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই জনতা দরবারে মানুষের সমস্যার তৎক্ষণাৎ সমাধান হওয়ায় এলাকাজুড়ে খুশির আবহ তৈরি হয়েছে।
📢 সরাসরি অভিযোগ, সঙ্গে সঙ্গে সমাধান
সোমবার আয়োজিত এই শিবিরে প্রচুর মানুষ তাঁদের নানান সমস্যা নিয়ে হাজির হন। প্রত্যেকে একে একে নিজেদের অভিযোগ তুলে ধরেন মন্ত্রীর সামনে। বিশেষ বিষয় হল, অধিকাংশ সমস্যারই সরাসরি ও তৎক্ষণাৎ সমাধান করে দেওয়া হয় সেখানেই, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা বাড়িয়েছে।
😊 মানুষের মুখে সন্তোষের হাসি
জনতা দরবারে উপস্থিত অনেকেই জানান, তাঁদের অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে শোনা হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিনের ঝুলে থাকা একাধিক সমস্যার সমাধান হওয়ায় তাঁরা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

🙏 বন্দনা রায় চৌধুরীর কৃতজ্ঞতা
কুল্টির সীতারামপুরের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বন্দনা রায় চৌধুরী জানান, তাঁর একটি সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে অমীমাংসিত ছিল। কিন্তু জনতা দরবারে এসে অভিযোগ জানানোর পরই তা মুহূর্তে সমাধান হয়ে যায়। এজন্য তিনি মন্ত্রী ও বিধায়ক ডা. অজয় পোদ্দার-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
🗣️ ‘এখন আর ভয় নেই, কথা বলার সুযোগ আছে’
বন্দনা দেবী বলেন, আগে মানুষ নিজেদের সমস্যা খোলাখুলি বলতে পারতেন না এবং এক ধরনের ভয়ের পরিবেশ ছিল। কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলেছে। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-এর প্রতিশ্রুত ‘ভয়মুক্ত প্রশাসন’-এর বাস্তব অভিজ্ঞতা এখন পাওয়া যাচ্ছে।
⚡ প্রশাসন ও মানুষের মধ্যে বাড়ছে বিশ্বাস
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের জনতা দরবার সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রশাসনের দূরত্ব কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এতে দ্রুত সমস্যার সমাধান যেমন সম্ভব হয়, তেমনি প্রশাসনের প্রতি মানুষের বিশ্বাসও বহুগুণে বৃদ্ধি পায়।
👉 সব মিলিয়ে, কুল্টির এই জনতা দরবার শুধু সমস্যার সমাধানের মঞ্চ নয়, বরং মানুষের আস্থা ও প্রশাসনিক সক্রিয়তার এক উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে উঠেছে।















