আসানসোলের দামড়া বালুঘাটে অবৈধ বালু পাচার কাণ্ডে ফের আদালতে তোলা হল অভিযুক্ত বিবেক চক্রবর্তীকে। আসানসোল দক্ষিণ থানার পুলিশ রিমান্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তাকে আদালতে পেশ করে। এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই ‘বালু মাফিয়া’ হিসেবে পরিচিত বিবেককে ঘিরে এই মামলায় নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিবেক চক্রবর্তী দীর্ঘদিন ধরে একটি সুসংগঠিত অবৈধ বালু পাচার চক্র চালাতেন। শুধু পাচার নয়, এলাকায় একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেটও পরিচালনা করতেন তিনি। এই চক্রের মাধ্যমে রাতের অন্ধকারে ট্রাকের পর ট্রাক বালু পাচার হত বলে অভিযোগ।
তদন্তে নেমে পুলিশ ইতিমধ্যেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতে পেয়েছে। উঠে এসেছে বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম, যারা এই অবৈধ বালু ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে সন্দেহ। বর্তমানে সেই সমস্ত ব্যক্তিদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।
সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই এই মামলায় আরও কয়েকজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হতে পারে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, এটি শুধুমাত্র একটি ছোট চক্র নয়, বরং একটি বড় নেটওয়ার্ক, যার শিকড় অনেক গভীরে প্রোথিত।
এদিকে, দামড়া বালুঘাট এলাকায় নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে। অবৈধ বালু তোলার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে ইতিমধ্যেই বিশেষ নজরদারি দল গঠন করেছে পুলিশ প্রশাসন।
এই ঘটনার জেরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সাধারণ মানুষও অবৈধ বালু পাচারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছে। এখন দেখার, পুলিশের তদন্ত কত দ্রুত এই চক্রের আসল চেহারা সামনে নিয়ে আসে।















