পশ্চিম বর্ধমান/কলকাতা: বহু প্রতীক্ষিত পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর পূর্ণাঙ্গ সূচি ঘোষণা করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। কমিশনের প্রকাশিত কর্মসূচি অনুযায়ী, এবারের নির্বাচন রাজ্যে দুই দফায় অনুষ্ঠিত হবে।
ঘোষিত সূচি অনুযায়ী প্রথম দফায় ১৫২টি বিধানসভা আসনে ভোটগ্রহণ হবে ২৩ এপ্রিল ২০২৬, আর দ্বিতীয় দফায় ১৪২টি আসনে ভোট হবে ২৯ এপ্রিল ২০২৬। উভয় দফার ভোটের গণনা অনুষ্ঠিত হবে ৪ মে ২০২৬। নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে ৬ মে ২০২৬-এর মধ্যে।
মনোনয়ন থেকে ভোট—সম্পূর্ণ সূচি
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী—
প্রথম দফা
- গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ: ৩০ মার্চ ২০২৬ (সোমবার)
- মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন: ৬ এপ্রিল ২০২৬ (সোমবার)
- মনোনয়নপত্র যাচাই: ৭ এপ্রিল ২০২৬ (মঙ্গলবার)
- প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন: ৯ এপ্রিল ২০২৬ (বৃহস্পতিবার)
- ভোটগ্রহণ: ২৩ এপ্রিল ২০২৬ (বৃহস্পতিবার)
দ্বিতীয় দফা
- গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ: ২ এপ্রিল ২০২৬ (বৃহস্পতিবার)
- মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন: ৯ এপ্রিল ২০২৬ (বৃহস্পতিবার)
- মনোনয়নপত্র যাচাই: ১০ এপ্রিল ২০২৬ (শুক্রবার)
- প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন: ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (সোমবার)
- ভোটগ্রহণ: ২৯ এপ্রিল ২০২৬ (বুধবার)
ভোট গণনা
- ৪ মে ২০২৬ (সোমবার)
শুরু হয়েছে নির্বাচনী তৎপরতা
নির্বাচনের সূচি প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক তৎপরতা অনেকটাই বেড়ে গেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ইতিমধ্যে প্রার্থী নির্বাচন, নির্বাচনী কৌশল নির্ধারণ এবং প্রচার অভিযান শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আগামী কয়েক সপ্তাহে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বড় বড় জনসভা, রোড শো এবং প্রচার কর্মসূচি আরও তীব্র হবে।
গোটা দেশের নজর বাংলার নির্বাচনে
পশ্চিমবঙ্গের এই বিধানসভা নির্বাচনকে জাতীয় রাজনীতির ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। তাই গোটা দেশের রাজনৈতিক মহলের নজর এখন বাংলার ভোটের দিকে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এবারের নির্বাচনে উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, সামাজিক প্রকল্প, গ্রামীণ পরিকাঠামো এবং আইনশৃঙ্খলা গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠতে পারে।
শুরু হল বাংলার ভোটের লড়াই
নির্বাচনের সূচি ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই কার্যত বাংলায় ভোটযুদ্ধের সূচনা হয়ে গেছে। আগামী দিনগুলোতে রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে প্রচার, কৌশল এবং জনসংযোগের লড়াই আরও তীব্র হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এখন সবার নজর ২৩ এপ্রিল ও ২৯ এপ্রিলের ভোটগ্রহণ এবং ৪ মে-র ফল ঘোষণার দিকে, যা নির্ধারণ করবে আগামী পাঁচ বছরের জন্য পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ।














