‘ইলেকশন আর্জেন্ট’ নির্দেশ—১৩ এপ্রিলের মধ্যেই জয়েন বাধ্যতামূলক

single balaji

কলকাতা: নির্বাচনকে ঘিরে প্রশাসনিক তৎপরতা তুঙ্গে। এই পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ই-মেলের মাধ্যমে এক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ জারি করে রাজ্যজুড়ে ইন্সপেক্টর পদে কর্মরত একাধিক আধিকারিকের বদলি ঘোষণা করেছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ভারতের নির্বাচন কমিশন-এর নির্দেশ মেনে, যা নির্বাচনকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ রাখতে বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

‘ইলেকশন আর্জেন্ট’ নির্দেশে তড়িঘড়ি বদলি

১২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে জারি হওয়া নির্দেশ (নং: ৩০৭/ADGP(L&O)/PERS.II) অনুযায়ী—

👉 সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের ১৩ এপ্রিল বিকেল ৫টার মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে
👉 একইসঙ্গে জমা দিতে হবে যোগদানের রিপোর্ট

এই নির্দেশকে “ইলেকশন আর্জেন্ট” হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যা এর গুরুত্বকে আরও স্পষ্ট করে।

🔄 কোন অফিসার কোথায় গেলেন?

👉 শ্রী বিশ্বজিৎ হালদার

  • বর্তমান: আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট
  • নতুন: এসবি, চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট

👉 শ্রী দেবাশিস পাহাড়ি

  • বর্তমান: হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট
  • নতুন: এসবি, আসানসোল-দুর্গাপুর

👉 শ্রী অন্সুমান চক্রবর্তী

  • বর্তমান: হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট
  • নতুন: ট্রাফিক বিভাগ, আসানসোল-দুর্গাপুর

👉 হাবিবুল হাসান

  • বর্তমান: ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট
  • নতুন: ট্রাফিক বিভাগ, চন্দননগর

👉 শ্রী অতীশ চট্টোপাধ্যায়

  • বর্তমান: ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট
  • নতুন: ডিআইবি, কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলা

🚨 ভোটের কাজে নিষেধাজ্ঞা

নির্দেশে স্পষ্ট জানানো হয়েছে—

👉 এই আধিকারিকদের ভিআইপি ও ভিভিআইপি ডিউটিতে রাখা যেতে পারে
👉 কিন্তু কোনওভাবেই নির্বাচনী কাজে যুক্ত করা যাবে না

📝 লিখিত অঙ্গীকার বাধ্যতামূলক

ভারতের নির্বাচন কমিশন-এর নির্দেশ অনুযায়ী—

👉 সমস্ত এসপি, সিপি ও ইউনিট ইনচার্জদের
👉 সংশ্লিষ্ট অফিসারদের কাছ থেকে লিখিত অঙ্গীকার নিতে হবে

যাতে তারা নিশ্চিত করেন—

❌ তারা সরাসরি বা পরোক্ষভাবে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কোনও হস্তক্ষেপ করবেন না

🔍 কেন এই সিদ্ধান্ত?

প্রশাসনিক মহলের মতে—

👉 নির্বাচনকে ঘিরে নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে এই ধরনের বদলি অত্যন্ত জরুরি
👉 এতে কোনও রাজনৈতিক প্রভাব বা পক্ষপাতিত্বের সম্ভাবনা কমে
👉 পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতেও সহায়ক হয়

🔥 সব মিলিয়ে, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এই ‘ইলেকশন আর্জেন্ট’ নির্দেশ স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে—আগামী নির্বাচনকে ঘিরে কোনও রকম ঝুঁকি নিতে রাজি নয় প্রশাসন। স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করাতেই এবার কড়া অবস্থানে রাজ্য ও নির্বাচন কমিশন।

ezgif 29eaedc5d8afccea
ghanty

Leave a comment