বাজেট ২০২৬ পেশ: মধ্যবিত্ত, কর্মসংস্থান ও অর্থনীতিতে জোর নির্মলা সীতারামনের

single balaji

নয়াদিল্লি, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬:
কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন শনিবার সংসদে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করলেন। এটি তাঁর টানা নবম বাজেট। বাজেট ২০২৬-এ দেশের অর্থনৈতিক দিশা, মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ, মধ্যবিত্তের স্বস্তি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং এমএসএমই খাতকে শক্তিশালী করার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ ও অর্থনৈতিক দিশা

বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী জানান, দেশে মূল্যবৃদ্ধি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সরকারের মূল লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক বৃদ্ধি আরও জোরদার করা। পাশাপাশি তিনি স্পষ্ট করেন যে, দরিদ্র ও বঞ্চিত শ্রেণির স্বার্থ রক্ষা করা সরকারের অগ্রাধিকার

আর্থিক শৃঙ্খলায় সরকারের অঙ্গীকার

বাজেট ২০২৬-এ সরকার আবারও রাজকোষীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে উন্নয়ন ও আর্থিক স্থিতিশীলতার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার কথা বলা হয়েছে।

আয়কর ও মধ্যবিত্তের স্বস্তি

গত বাজেটে দেওয়া করছাড়ের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এবারও মধ্যবিত্ত শ্রেণিকে স্বস্তি দেওয়ার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, আগের বাজেটে ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপর করছাড় দেওয়া হয়েছিল, এবং এই কর-বান্ধব নীতির ধারা বজায় রাখা হয়েছে।

কর্মসংস্থান, এমএসএমই ও ব্যবসায় জোর

বাজেটে এমএসএমই, উৎপাদন খাত ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সরকারের মতে, ছোট শিল্প ও স্থানীয় ব্যবসাই দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। এই খাতগুলিকে শক্তিশালী করতে সহায়ক নীতি ও সুযোগ বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।

প্রতিরক্ষা, শিক্ষা ও পরিকাঠামো

প্রতিরক্ষা, শিক্ষা এবং পরিকাঠামো উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়ানোর উপরও জোর দেওয়া হয়েছে। রাস্তা, রেল, ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো খাতে বিনিয়োগ দেশের অর্থনীতিকে আরও মজবুত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাজেট নিয়ে প্রত্যাশা

সাধারণ মানুষ ও যুবসমাজ কর্মসংস্থান ও দৈনন্দিন খরচে স্বস্তি আশা করছে। অন্যদিকে শিল্প ও ব্যবসায়ী মহল উন্নয়নমুখী সংস্কার এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির প্রত্যাশা রাখছে।

বাজেট ২০২৬-এর মূল লক্ষ্য

সহজভাবে বলতে গেলে, বাজেট ২০২৬-এর লক্ষ্য—

  • করছাড় প্রদান
  • কর্মসংস্থান বৃদ্ধি
  • এমএসএমই খাতকে শক্তিশালী করা
  • পরিকাঠামোয় বিনিয়োগ বাড়ানো
  • সামাজিক সুরক্ষার প্রসার

এর পাশাপাশি আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রেখে অর্থনীতিকে স্থিতিশীল ও উন্নয়নমুখী করা এই বাজেটের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।

ghanty

Leave a comment