আসানসোল, পশ্চিম বর্ধমান |
আসানসোলে আদিবাসী সমাজ তাদের ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখতে এবার রাস্তায় নামলো। আদিবাসী ছাত্রাবাসগুলিতে চলতে থাকা একাধিক গুরুতর সমস্যা নিয়ে বিভাগীয় শাসকের দফতরে স্মারকলিপি পেশ করা হয়। মূলত স্টাইপেন্ড, খাদ্য, কর্মী নিয়োগ এবং সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।
🔴 কি বলছেন আদিবাসী নেতা সাইলেমন মাণ্ডি?
সামাজিক কর্মী সাইলেমন মাণ্ডি জানান—
- প্রতি মাসে ১৮০০ টাকা স্টাইপেন্ড দেওয়ার কথা, কিন্তু মাত্র ৬০০ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে।
- বহু ছাত্রছাত্রীর নাম HMS পোর্টালে নেই, ফলে তারা সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত।
- হস্টেলে স্থায়ী কর্মীর অভাব চরমে, অস্থায়ী কর্মীদের উপরই ভরসা করে চলছে কাজ।
- অবাক করার বিষয়, ছাত্রদের প্রাপ্য টাকাতেই কর্মীদের বেতন দেওয়া হচ্ছে!
- খাবারের মান অত্যন্ত নিম্নমানের, সময়মতো দেওয়া হয় না, পুষ্টিগুণও নেই।
- ছাত্রদের জন্য বরাদ্দ অর্থও অন্যান্য জায়গায় গচ্ছিত করা হচ্ছে, যা স্পষ্ট দুর্নীতি।
📢 দাবিগুলি কী?
- সমস্ত ছাত্রছাত্রীর নাম অবিলম্বে HMS পোর্টালে আপলোড করতে হবে।
- স্টাইপেন্ড পুরো ১৮০০ টাকা নিয়মিত প্রদান করতে হবে।
- হস্টেলে স্থায়ী কর্মী নিয়োগ করতে হবে।
- অর্থনৈতিক দুর্নীতির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে দোষীদের শাস্তি দিতে হবে।
- খাবারের গুণগত মান উন্নত করতে হবে।
⚠️ “শিক্ষা নয়, শোষণ চলছে আদিবাসী ছাত্রদের সাথে”
আদিবাসী সমাজের দাবি, সরকার যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে তারা বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটবে। এটি শুধুমাত্র হস্টেলের সমস্যা নয়, বরং একটি গোটা প্রজন্মের ভবিষ্যতের উপর কালো ছায়া।













