📍দুর্গাপুর |
২১ জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষে কলকাতার ধর্মতলায় আয়োজিত তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসভায় যোগ দিতে দুর্গাপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূম জেলার হাজার হাজার তৃণমূল কর্মী-সমর্থক ট্রেন, বাস ও চারচাকা গাড়িতে চেপে ধর্মতলার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। দুর্গাপুর স্টেশনে সকাল থেকেই দেখা গেছে উন্মাদনার চূড়ান্ত চিত্র।
🚉 দুর্গাপুর স্টেশনে তৃণমূল কর্মীদের ঢল, জয়ধ্বনিতে মুখর পরিবেশ
দুর্গাপুর রেল স্টেশনে সকাল থেকেই সবুজ পতাকা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পোস্টার, ব্যানার, ঢাক-ঢোল নিয়ে সমর্থকদের ঢল নামে। ট্রেন ধরার জন্য প্রচুর মানুষ স্টেশনে জড়ো হন। “২০২৬-এ আবার মমতা সরকার”, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ”—এই স্লোগানে মুখরিত হয় গোটা এলাকা।
🚌 বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বীরভূম ও পশ্চিম বর্ধমান থেকে NH-19 ধরে বাসের মিছিল
বাঁশকোপা (কাঁকসা) এলাকা হয়ে জাতীয় সড়ক ১৯ (NH-19) দিয়ে শতাধিক বাস ও গাড়ির মিছিল রওনা দেয় ধর্মতলার দিকে। রাস্তায় রাস্তায় স্থানীয় বাসিন্দারা সেই মিছিল দেখে চমকে ওঠেন। তৃণমূলের এই বিশাল সমাবেশে যোগ দিতে কর্মীদের উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মতো।
🎓 শিক্ষকরাও পেছনে নেই, ‘টিচার্স সেল’-এর মিছিলেও ছিল গর্জন
পশ্চিম বর্ধমান জেলার টিচার্স সেল-এর অন্তর্গত বহু তৃণমূল-ঘনিষ্ঠ শিক্ষক-শিক্ষিকারা ধর্মতলা অভিমুখে রওনা হন বাঁশকোপা টোল প্লাজা থেকে, যেখানে তারা আগে একত্রিত হয়ে দলীয় স্লোগানে উত্তাল পরিবেশ তৈরি করেন।
🎯 ২০২৬ নির্বাচনের আগে শক্তি প্রদর্শন, বলছে নেতৃত্ব
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এবারের শহিদ দিবসের সভা শুধু একটি স্মরণসভা নয়, বরং ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতির দিকনির্দেশও বটে। নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সভা মঞ্চ থেকে বিজেপি ও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি বার্তা দিয়েছেন, এবং সমর্থকদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।










