আসানসোল, পশ্চিম বর্ধমান |
তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে বেসুরো সুর আরও জোরালো হল। আসানসোলের জনপ্রিয় তৃণমূল নেতা শিবদাসন দাসু ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে নিজের দলের পশ্চিম বর্ধমান জেলা সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী-র বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনলেন। তার অভিযোগ, জেলা নেতৃত্ব বিজেপি নেতাদের সঙ্গে密যোগে ব্যস্ত, যার ফলে তৃণমূলের মাটির সংগঠন দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং বিজেপির প্রভাব বাড়ছে।
💥 “তৃণমূলের নেতারাই শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে密যোগে!”
শিবদাসন দাসুর পোস্টে দাবি করা হয়েছে—
“দলের কিছু শীর্ষ নেতা গোপনে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে密সম্পর্ক রাখছেন। তৃণমূলের নিবেদিত কর্মীদের দুর্দশা বেড়েছে, আর তৃণমূলকে দুর্বল করে বিজেপিকে সুবিধা করে দেওয়া হচ্ছে।”
🗳️ পাণ্ডবেশ্বর কেন্দ্র থেকে ভোটব্যবধান কমেছে মারাত্মকভাবে
দাসুর বক্তব্য অনুযায়ী,
“যেখানে একসময় তৃণমূল ১ লক্ষ ভোটে এগিয়ে থাকত, সেখানে এখন ব্যবধান নেমে এসেছে মাত্র ৪০ হাজারে।”
তিনি দাবি করেছেন, এই কেন্দ্রের একাধিক নেতা বিজেপির সঙ্গে密যোগে যুক্ত এবং দুর্নীতিতে জড়িয়ে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করছেন।
🔥 জিতেন্দ্র তিওয়ারির সমর্থন – “শিবদাসু যা বলছেন তা একদম সত্যি!”
বিজেপি নেতা ও প্রাক্তন মেয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারি দাসুর এই পোস্টকে সমর্থন জানিয়ে বলেন,
“আমরা বহুদিন ধরেই বলে আসছি এই দুর্নীতির কথা। এখন দলের ভেতরের নেতাও সেই একই কথা বলছেন, এটা প্রমাণ করে আমাদের কথা ঠিক ছিল।”
🕶️ তৃণমূল নেতৃত্ব নীরব, চাপা উত্তেজনা জেলায়
এই ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী বা জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া আসেনি। তবে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন উঠেছে, দাসুকে শোকজ নোটিশ পাঠানো হতে পারে।
📌 বিশেষ বিশ্লেষণ:
এই ঘটনার মাধ্যমে পশ্চিম বর্ধমানে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরমহলের অসন্তোষ ও বিভাজন আরও স্পষ্ট হলো। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই পরিস্থিতি দলকে বড় বিপদে ফেলতে পারে।













