জামুড়িয়া, পশ্চিম বর্ধমান: কেন্দা গ্রামের বাসিন্দা বিনোদ রুইদাস, যিনি কুম্ভ মেলার পদদলিত ঘটনায় নিহত হন, তার পরিবারের হাতে ৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে তুলে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই অর্থপ্রদান নিয়ে বড় বিতর্ক শুরু হয়েছে কারণ সরকারী ক্ষতিপূরণ সাধারণত ব্যাংক ট্রান্সফার বা চেকের মাধ্যমে দেওয়া হয়, কিন্তু এখানে নগদ অর্থ দেওয়া হয়েছে।
🔍 কোনো সরকারি নথি ছাড়া ৫ লাখ টাকা! কীসের ইঙ্গিত?

মৃতের পরিবারের দাবি, চারজন ব্যক্তি, যাদের মধ্যে তিনজন পুলিশ পোশাকে এবং একজন সাধারণ পোশাকে ছিলেন, এসে ৫ লাখ টাকা হস্তান্তর করেন। তবে কোনো রকম লিখিত প্রমাণ বা নথি দেওয়া হয়নি, যা পরিবারসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি করেছে।
📢 স্ত্রী শর্মিলা রুইদাসের প্রশ্ন – “এই টাকা কি সত্যিই সরকারের?”
বিনোদ রুইদাসের স্ত্রী শর্মিলা রুইদাস জানিয়েছেন যে, মোট ২৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ছিল, কিন্তু এখন পর্যন্ত শুধু ৫ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। বাকি চার কিস্তিতে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন:

- “নগদ টাকা কেন? সরকার কি কোনো কিছু লুকোচ্ছে?”
- “এই টাকা কি সত্যিই উত্তরপ্রদেশ সরকারের, নাকি অন্য কোনো খেলা চলছে?”
- “যদি এটা সরকারি ক্ষতিপূরণ হয়, তবে ব্যাংকে ট্রান্সফার করা হলো না কেন?”
⚡ গোপনে টাকা প্রদান! রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য, তদন্তের দাবি
এই ঘটনার পর রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। সরকারকে কাঠগড়ায় তুলে বিরোধীরা বলছে, সাধারণত মিডিয়ার সামনে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করা হয়, তাহলে এখানে গোপনে নগদ কেন?।

🔥 ঘটনার তদন্ত হবে? প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন!
এই নগদ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পদ্ধতি নিয়ে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। সাধারণ মানুষও প্রশ্ন তুলছে এটি সত্যিকারের সরকারি অর্থ, নাকি দুর্নীতির কোনো চক্রান্ত?













