রবিবার ঠিক দুপুর ১২টা নাগাদ এক ব্যক্তি বাইকটি রেখে জরুরি বিভাগে কিছু কাজ সারতে গিয়েছিলেন। বাইরে ফিরে এসে তিনি লক্ষ্য করেন, তাঁর বাইকের ভেতরে যেন কিছু নড়াচড়া করছে। কাছে গিয়ে দেখে চমকে ওঠেন—বাইকের ফাঁকে গুটিসুটি মেরে বসে আছে একটি লোপার্ড স্নেক! ঘটনাটি বুঝতেই তিনি চিৎকার করে সরে দাঁড়ান।
কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই এই খবর আগুনের মতো ছড়িয়ে পড়ে হাসপাতাল জুড়ে। রোগী, আত্মীয় এবং হাসপাতালের কর্মীরা দূর থেকেই সতর্ক করতে থাকেন—
“দূরে থাকুন, বাইকের কাছে যাবেন না!”
কেউ আতঙ্কে ছুটে বেড়াচ্ছেন, আবার কেউ মোবাইল হাতে ভিডিও তুলতে ভিড় জমাচ্ছেন।
পরে স্থানীয় কয়েকজন যুবক ও পথচারীর সাহায্যে বহু চেষ্টা করে সাপটিকে বের করে আনা হয়। তবে সাপটি বিষাক্ত ছিল কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো সরকারি নিশ্চিতকরণ নেই।
🔍 স্থানীয়দের অভিযোগ—হাসপাতালের চারপাশে ঝোপঝাড়-বর্জ্যের স্তুপ!
এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, হাসপাতালের চারপাশে প্রচুর ঝোপঝাড়, নোংরা আবর্জনা ও অযত্নে পড়ে থাকা বর্জ্যের কারণে প্রতিদিনই সাপ দেখা যাওয়ার ঘটনা বাড়ছে। অনেকের প্রশ্ন—
“হাসপাতালের ভেতরেই যদি এমন ঘটনা ঘটে, তাহলে সাধারণ রোগীদের নিরাপত্তা কোথায়?”
🚨 হাসপাতালের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন
ঘটনার পর বহু রোগীর আত্মীয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের দাবি—
- হাসপাতালের চারপাশ পরিষ্কার রাখা
- নিয়মিত ঝোপঝাড় কাটানো
- সাপ প্রবেশ রোধে সিকিউরিটি টহল বাড়ানো
এসব ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে আরও বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। নেটিজেনদের মন্তব্য—
“হাসপাতালে যদি এমন সাপ ঢুকে পড়ে, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়?”
দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালের এই সাপকাণ্ড এখন শহরজুড়ে আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু।











