সমাজসেবায় বাধা! পুলিশের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ বিজেপি নেতা কৃষ্ণা প্রসাদ

single balaji

আসানসোল পৌর নিগমের সালডাঙ্গা ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে কম্বল বিতরণ কর্মসূচিকে ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক। গত ১৯ জানুয়ারি সমাজসেবী ও বিজেপি নেতা কৃষ্ণা প্রসাদের উদ্যোগে এলাকার দুঃস্থ ও শীতার্ত মানুষদের মধ্যে কম্বল বিতরণের আয়োজন করা হয়। কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবেই চলছিল, কিন্তু সেই সময় আচমকাই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী মনজিৎ হেমব্রম।

অভিযোগ, তিনি কম্বল বিতরণে বাধা সৃষ্টি করে “গো ব্যাক কৃষ্ণা প্রসাদ” স্লোগান দিতে থাকেন। এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করেন উপস্থিত স্থানীয় বাসিন্দা ও সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।

⚠️ পুলিশের ভূমিকায় প্রশ্ন

ঘটনার পর পুলিশ রায়পাড়া এলাকার এক বিজেপি কর্মীকে আটক করে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। শুধু তাই নয়, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কম্বল বিতরণ কর্মসূচির আয়োজক কৃষ্ণা প্রসাদের বিরুদ্ধেও মামলা রুজু করা হয়। পুলিশের এই পদক্ষেপ ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

🗣️ সাংবাদিক বৈঠকে বিস্ফোরক অভিযোগ

পুরো ঘটনার প্রতিবাদে বিজেপি নেতা কৃষ্ণা প্রসাদ একটি সাংবাদিক বৈঠক করে পুলিশের ভূমিকার তীব্র নিন্দা করেন। তিনি বলেন, “আমরা সম্পূর্ণ সমাজসেবার উদ্দেশ্যে গরিব ও অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়াতে গিয়েছিলাম। অথচ তৃণমূল কংগ্রেসের ইশারায় আমাদের বিরুদ্ধে পুলিশি মামলা করা হয়েছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, আসানসোল উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের পরাজয় নিশ্চিত জেনেই বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দায়ের করছে এবং ভয় দেখানোর চেষ্টা চালাচ্ছে।

🔥 “চাপের রাজনীতিতে মাথা নত নয়”

কৃষ্ণা প্রসাদ স্পষ্ট ভাষায় জানান, বিজেপি কোনওভাবেই এই ধরনের চাপের রাজনীতির কাছে মাথা নত করবে না। তিনি বলেন, “বিজেপি ভয় পায় না। সমাজসেবা এবং মানুষের পাশে থাকার লড়াই চলবে। প্রয়োজনে আমরা রাস্তায় নেমে আন্দোলন করব।”

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সালডাঙ্গা এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও পুলিশের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

ghanty

Leave a comment