নয়াদিল্লি: “মানবাধিকার একটি বিশাল ক্যানভাস, একে জানা ও বোঝা অত্যন্ত জরুরি।” — বললেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার পরিষদের আন্তর্জাতিক চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট সমাজসেবী সঞ্জয় সিনহা।
এই প্রতিবেদকের সঙ্গে ‘স্বাস্থ্যের অধিকার’ বিষয়ে একান্ত আলোচনায় তিনি বলেন, “বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-র মতে, বর্ণ, লিঙ্গ, ভাষা, জাতীয়তা, ধর্ম বা সামাজিক অবস্থান যাই হোক না কেন, প্রত্যেক মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষার অধিকার রয়েছে।”
✅ কী বোঝায় ‘স্বাস্থ্যের অধিকার’?
সঞ্জয় সিনহা ব্যাখ্যা করেন, “স্বাস্থ্যের অধিকার মানে হল নিজের স্বাস্থ্য ও শরীরের উপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের অধিকার, কোনওরকম হস্তক্ষেপ ছাড়াই। মহিলাদের প্রজনন ও যৌন স্বাস্থ্য অধিকারও এর অন্তর্ভুক্ত।”
তিনি আরও বলেন, “যেকোনও ধরণের লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা স্বাস্থ্যের অধিকার লঙ্ঘন করে এবং তা মহিলাদের ও শিশুদের জীবনে মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে।”
🏥 স্বাস্থ্য সেবায় বৈষম্যের অবসান চাই
তিনি জোর দিয়ে বলেন, “স্বাস্থ্যের অধিকার মানে হল বৈষম্যহীন চিকিৎসা। জাতি, লিঙ্গ, যৌন প্রবণতা, আর্থিক অবস্থা ইত্যাদি কোনও কিছুর ভিত্তিতে বৈষম্য চলবে না।”
তিনি জানালেন, WHO এমন এক পদ্ধতিগত কাজের ধরন নিয়ে কাজ করছে যেখানে স্বাস্থ্য, মানবাধিকার, লিঙ্গ সমতা ও সাংস্কৃতিক পার্থক্যকে সম্মান জানিয়ে নীতি প্রণয়ন করা হবে।
📊 কী প্রয়োজন?
সঞ্জয় সিনহার মতে:
- “কে পিছিয়ে পড়েছে এবং কেন তা বোঝা দরকার,
- মূল কারণগুলি দূর করতে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন,
- অগ্রগতির নজরদারি ও পরিমাপ করতে হবে,
- এবং সরকার ও প্রতিষ্ঠানগুলির জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।”
WHO এই বিষয়ে আন্তঃবিষয়ক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করে যাতে বৈষম্যের স্তর ও মূল কারণগুলি চিহ্নিত করা যায়।













