আসানসোল, কুলটি (পশ্চিম বর্ধমান):
সেল রামনগর কয়লাখনিতে কাজ করার সময় ১৬ ফেব্রুয়ারি ৪৮ বছর বয়সী কর্মচারী কেদার পাঁ মারাত্মকভাবে আহত হন। দুর্ঘটনার পরপরই তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
কিন্তু দীর্ঘ চিকিৎসার পরও রবিবার কেদার পাঁ মারা যান। মৃত্যুর খবর ছড়াতেই পরিবার ও আত্মীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।
🪧 ক্ষতিপূরণের দাবিতে দেহ নিয়ে অফিসের সামনে বিক্ষোভ
সোমবার মৃত কর্মচারীর পরিবার কয়লাখনি ব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়ে।
তাঁরা দেহটি কয়লাখনি অফিসের সামনে রেখে বিক্ষোভ শুরু করেন এবং দাবি জানান—
যথাযথ ক্ষতিপূরণ ও পরিবারের একজনকে চাকরি না দেওয়া পর্যন্ত শেষকৃত্য হবে না।
👨👩👧👦 পরিবারের বক্তব্য:
“আমরা আমাদের পরিবারের উপার্জনকারীকে হারিয়েছি। যতক্ষণ না প্রাপ্য ক্ষতিপূরণ এবং চাকরির ঘোষণা হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা দেহ দাহ করব না।”
🛑 ব্যবস্থাপনার নীরবতা এবং শ্রমিক সংগঠনের হুঁশিয়ারি
ঘটনার পর এলাকা জুড়ে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।
কোনো সরকারি প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায়নি কয়লাখনি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে।
শ্রমিক সংগঠনগুলো স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, প্রয়োজনে তারা আন্দোলনে নামবে এবং কাজ বন্ধের ডাক দিতেও পিছপা হবে না।
📌 ঘটনার সারাংশ:
- ⚒️ কেদার পাঁ, বয়স: ৪৮, কর্মরত সেল রামনগর কয়লাখনি
- 📅 দুর্ঘটনার তারিখ: ১৬ ফেব্রুয়ারি
- 🏥 মৃত্যু: ২৪ ফেব্রুয়ারি, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়
- 👨👩👧👦 পরিবার: স্ত্রী, এক পুত্র ও এক কন্যা
- 📢 দাবি: ₹২৫ লক্ষ ক্ষতিপূরণ + পরিবারের এক সদস্যকে চাকরি + দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
🔚 উপসংহার:
রামনগর কয়লাখনির এই ঘটনা শুধুমাত্র একটি দুর্ঘটনা নয়, শ্রমিক সুরক্ষা, ন্যায্যতা ও মানবাধিকার নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।
এখন সকলের নজর থাকছে – ব্যবস্থাপনা কতটা দায়িত্ব নেবে এবং পরিবার কতটা সুবিচার পাবে?













