আসানসোল: পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলে নরেন্দ্র মোদী-র বিশাল জনসভাকে ঘিরে তৈরি হল নতুন বিতর্ক। পোলো গ্রাউন্ডে আয়োজিত এই মেগা র্যালিতে একদিকে যেমন মানুষের ঢল নেমেছিল, অন্যদিকে মোবাইল চুরির একাধিক ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়লেন সাধারণ মানুষ।
📱 সভায় মোবাইল চুরি, আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলা
জনসভায় উপস্থিত বহু মানুষের অভিযোগ, ভিড়ের সুযোগ নিয়ে সক্রিয় হয়ে ওঠে একটি সংগঠিত মোবাইল চোর চক্র।
👉 হঠাৎ করেই বহু মানুষের মোবাইল ফোন উধাও হয়ে যায়
👉 মুহূর্তের মধ্যে তৈরি হয় আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলার পরিবেশ
স্থানীয়দের দাবি, ৩০০-রও বেশি মোবাইল ফোন চুরি হয়েছে, যা ঘটনাটিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।
🚨 হিরাপুর থানার সামনে ধর্না, রাস্তা অবরোধ
ঘটনার প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ মানুষ সরাসরি হিরাপুর থানার সামনে গিয়ে ধর্নায় বসেন।
👉 অভিযোগ, পুলিশ কয়েকজন সন্দেহভাজনকে আটক করলেও
👉 এখনও পর্যন্ত কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি
এর প্রতিবাদে বিক্ষোভকারীরা রাস্তা অবরোধ করে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন, ফলে এলাকায় যান চলাচলও ব্যাহত হয়।
📝 অভিযোগের সংখ্যা বাড়ছেই
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী—
👉 ইতিমধ্যে প্রায় ৩৫ জন হিরাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন
👉 তবে প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারে বলে দাবি স্থানীয়দের
👉 সময়ের সঙ্গে সঙ্গে থানায় অভিযোগকারীর সংখ্যা
👉 ক্রমাগত বাড়ছে, যা প্রশাসনের উদ্বেগ বাড়াচ্ছে
⚠️ এলাকায় উত্তেজনা, দ্রুত পদক্ষেপের দাবি
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আসানসোল জুড়ে তৈরি হয়েছে তীব্র উত্তেজনার পরিবেশ।
👉 সাধারণ মানুষ দ্রুত মোবাইল উদ্ধারের দাবি তুলছেন
👉 পাশাপাশি দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জোরদার হচ্ছে
🔍 বড় প্রশ্ন—নিরাপত্তায় গাফিলতি?
নরেন্দ্র মোদী-র মতো উচ্চপ্রোফাইল সভায় এত বড় চুরির ঘটনা নিরাপত্তা ব্যবস্থার উপর বড় প্রশ্নচিহ্ন তুলে দিয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে—
👉 বড় জনসমাগমে প্রায়ই এমন চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠে
👉 তাই আগাম সতর্কতা ও নজরদারি অত্যন্ত জরুরি
🔥 সব মিলিয়ে, মোবাইল চুরির এই ঘটনা এখন আসানসোলের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। আগামী দিনে পুলিশ কী পদক্ষেপ নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।















