দুর্গাপুর: স্টিল সিটির এ-জোনে অবস্থিত নেতাজি ভবন অডিটোরিয়ামে বিজেপি কর্মীদের নিয়ে এক বিশাল কর্মী সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এদিনের বিশেষ আকর্ষণ ছিলেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ও বিজেপি রাজ্য নেতা মিঠুন চক্রবর্তী। সভায় উপস্থিত ছিলেন দুর্গাপুরের বিধায়ক লক্ষণ ঘরুই, বিজেপি নেতা অভিজিৎ দত্ত, চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় সহ মণ্ডল ও বুথ স্তরের শতাধিক কর্মী।
অনুষ্ঠানের সূচনা হয় অতিথিদের ফুলের মালা পরিয়ে সংবর্ধনা জানানোর মাধ্যমে। বিধায়ক লক্ষণ ঘরুই নিজ হাতে মিঠুন চক্রবর্তীকে মালা পরিয়ে সম্মান জানান। এরপর প্রদীপ প্রজ্বালনের মাধ্যমে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়।
সভায় উপস্থিত কর্মীরা এলাকার নানা সমস্যা ও সংগঠনের কার্যক্রমে প্রতিবন্ধকতার কথা তুলে ধরেন। মনোযোগ দিয়ে সব শোনেন মিঠুন এবং ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে কীভাবে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা যায়, সে বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেন।
প্রোগ্রাম শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মিঠুন চক্রবর্তী বলেন,
“আমরা হিন্দু বলি ঠিকই, কিন্তু সব উৎসবই আসলে সনাতন। আমরা সনাতন।”
আভয়া ঘটনার প্রসঙ্গ তুলতে গিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি—
“দুঃখের বিষয়, কেউ আমাদের কাছে আসেনি। যদি আসত, আমরা অবশ্যই দেখতাম কী করা যায়। কিন্তু সবাই এড়িয়ে যাচ্ছে।”
স্বাস্থ্য খাতে জিএসটি প্রসঙ্গে মিঠুন বলেন,
“যদি স্বাস্থ্য পরিষেবায় জিএসটি মুক্ত হয়, তবে তা দেশের জন্য খুবই ভালো হবে।”
SAR (State Administrative Reforms) বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন—
“শুধু বাংলায় নয়, অন্যান্য রাজ্যেও এটা কার্যকর হচ্ছে। বাংলাতেও হবে, কিন্তু সরকার বদলাতে হবে। সরকার না বদলালে বাংলায় গণতন্ত্র দেখা যাবে না।”
রাজনৈতিক মহলে মিঠুনের এ বক্তব্য নিয়ে ইতিমধ্যেই চর্চা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ২০২৬ নির্বাচনের আগে বিজেপির এই কর্মী সম্মেলন এবং মিঠুন চক্রবর্তীর উপস্থিতি যে দলের জন্য বড় মনোবল জোগাবে, তা বলাই বাহুল্য।











