আসানসোল: পশু পাচার এবং অবৈধ কসাইখানা বন্ধ করার লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার পশ্চিম বর্ধমান জেলা আইন পরিষেবা কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে আসানসোলের হাটন রোডে একটি বিশেষ আইন সচেতনতা শিবিরের আয়োজন করা হয়। এই শিবিরে সাধারণ মানুষকে আইনি বিধি সম্পর্কে সচেতন করা হয় এবং তাদের জানানো হয় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কী ধরনের আইনি পরিষেবা প্রদান করা হয়।

জেলা আইন পরিষেবা কর্তৃপক্ষের সচিব অম্রপালি চক্রবর্তী বলেন, হাটন রোডকে এই অভিযানের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে, কারণ এই এলাকাটি বহুদিন ধরে পশু পাচারের প্রধান কেন্দ্র হিসাবে পরিচিত। তিনি আরও জানান, এই সচেতনতা অভিযানের উদ্দেশ্য পশু পাচার এবং অবৈধভাবে পশু হত্যার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া।
🐄 পশু সুরক্ষা আইনের প্রচার, জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান

এই কর্মসূচিটি পশ্চিম বর্ধমান বন দফতর ও আইনি পরামর্শ ইউনিটের সহযোগিতায় আয়োজিত হয়।
✅ স্থানীয় বাসিন্দাদের পশু সুরক্ষা আইন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হয়।
✅ অবৈধ কসাইখানা বন্ধে প্রশাসনের ভূমিকা ব্যাখ্যা করা হয়।
✅ যদি কোথাও পশু পাচার বা নিষ্ঠুরতার ঘটনা ঘটে, তাহলে প্রশাসনকে অবিলম্বে জানাতে বলা হয়।
🚨 পশু পাচারকারীদের জন্য কড়া বার্তা! কঠোর ব্যবস্থা নিতে চলেছে প্রশাসন

অনুষ্ঠানে উপস্থিত আধিকারিকরা জানান যে, এখন থেকে পশু পাচারকারীদের আর রেহাই দেওয়া হবে না।
🔴 সন্দেহজনক কোনো কার্যকলাপ দেখলে সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসনকে জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
🔴 নাগরিকদের জন্য ফ্রি আইনি সাহায্যের নম্বরও শিবিরে জানানো হয়েছে।
🔴 স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় এই অপরাধের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
🐾 পশু পাচার রুখতে আরও শিবির আয়োজনের পরিকল্পনা

শুধু আসানসোল নয়, পশ্চিম বর্ধমানের অন্যান্য এলাকাতেও এমন আইন সচেতনতা শিবিরের আয়োজন করা হবে। প্রশাসনের মতে, যদি সাধারণ মানুষ সচেতন হন, তাহলে পশু পাচারের মতো অপরাধ সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করা সম্ভব।
সরকারি কর্মকর্তাদের মতে, জনসচেতনতা বৃদ্ধি পেলেই এই অপরাধ রোধ করা যাবে এবং দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত হবে।













