কুলটিতে ৩৫.৯১ লক্ষ টাকার পানীয় জলের প্রকল্পের শিলান্যাস, বড় ঘোষণা মন্ত্রী মলয় ঘটকের

single balaji

কুলটি: রবিবার গভীর সন্ধ্যায় কুলটির ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের খিলান ধোড়া এলাকার ভগৎ সিং পার্কে আমরূদ প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৩ কোটি ৫৯ লক্ষ ১০ হাজার টাকার ব্যয়ে নির্মীয়মাণ একটি বিশাল পানীয় জলের ট্যাঙ্কের শিলান্যাস করেন রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটক। এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এডিডিএ-র সহ-সভাপতি উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায় সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি ও স্থানীয় নেতৃত্ব।

জানা গেছে, নির্মীয়মাণ এই জলাধারের ধারণক্ষমতা হবে প্রায় ১,৭৭০ কিউবিক লিটার, যা সম্পূর্ণভাবে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা হবে। কেন্দুয়া বাজারের নিকটবর্তী খিলান ধোড়ায় নির্মিত এই জল ট্যাঙ্ক থেকে ৭০, ৬৫ এবং ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে নিয়মিত পানীয় জলের সরবরাহ করা হবে।

এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে খিলান ধোড়া, ১২ নম্বর লোকো লাইন, কেন্দুয়া বাজার, ৬ নম্বর গেট, রাঁচিগ্রাম, মাজিদিয়া পার্ক, ইটভাটা, মিশ্রি পাড়া, স্টার চেম্বার, উড়িয়া পাড়া, হাঁড়ি পাড়া, সরস্বতী মন্দির এবং সংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকার বাসিন্দারা সরাসরি উপকৃত হবেন। দীর্ঘদিনের পানীয় জলের সংকট মেটাতে এই উদ্যোগকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন স্থানীয় মানুষজন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী মলয় ঘটক বলেন, কুল্টির মানুষ সবসময় সরকারের পাশে থেকেছেন এবং উন্নয়নের ধারাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সহায়তা করেছেন। তিনি আরও বলেন, রাজ্যের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প যেমন বিনামূল্যে রেশন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারসহ একাধিক সামাজিক প্রকল্পের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ সরাসরি উপকৃত হচ্ছেন। সকল জাতি ও সম্প্রদায়কে সঙ্গে নিয়ে সমানভাবে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাওয়াই সরকারের লক্ষ্য বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এই শিলান্যাস অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্লক সভাপতি কাঞ্চন রায়, কুল্টি ব্লক হিন্দি প্রकोষ্ঠের সভাপতি প্রেম নাথ সাও, ব্লক-২ যুব সভাপতি অমিত যাদব, ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ওকিল দাস, বিমান দত্ত, যতীন গুপ্ত, তানভীর ইমাম, সঞ্জয় সাও, মহেশ সাও, চাঁদ উসমান, কপিল পাশওয়ান, লাভকুশ শর্মা, মুকেশ সাও, ওয়ার্ড সভাপতি রঞ্জিত রায়, পাপ্পু সিং, কাউন্সিলর রাধা সিং, শুশান্ত মণ্ডল, বাবু দত্ত, সুভাষ প্রসাদ, রীনা প্রসাদ, অভিষেক সিং, অনুজ কেশরী, সাকিল কুরেশী সহ বহু গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকার বাসিন্দারা।

স্থানীয়দের মতে, এই জলাধার নির্মাণ সম্পূর্ণ হলে কুল্টি এলাকার জনস্বাস্থ্য ও দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় একটি বড় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। উন্নয়নের এই উদ্যোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় ইতিমধ্যেই উৎসাহ ও আশাবাদের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

ghanty

Leave a comment