কুল্টিতে আবর্জনার পাহাড়, সাফাই কর্মীদের ধর্মঘটে রাস্তায় নামলেন বিজেপি কাউন্সিলর

single balaji

কুল্টি:
আসানসোল পুরনিগমের সাফাই কর্মীদের চলমান ধর্মঘটের সরাসরি প্রভাব পড়েছে কুল্টি এলাকায়। একাধিক ওয়ার্ডে জমে উঠেছে আবর্জনার স্তূপ, উপচে পড়ছে নর্দমা, রাস্তায় বইছে নোংরা জল। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে রবিবার কুল্টির ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি কাউন্সিলর ললন মেহরা নিজের উদ্যোগে সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সাফাই অভিযানে নামেন।

সাফাই অভিযানের সময় ললন মেহরা জানান, খুব শীঘ্রই মুসলিম সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব শব-ই-বরাত। অথচ কুল্টির সেন্ট্রাল কবরস্থান সংলগ্ন এলাকায় জমে উঠেছে বিরাট আবর্জনার পাহাড়। পাশাপাশি পাথর খাদ এলাকায় নর্দমা উপচে পড়ে রাস্তায় নোংরা জল বইছে, যা থেকে মারাত্মক সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি বলেন, সাফাই কর্মীদের ধর্মঘটের কারণে কুল্টির প্রায় সবকটি ওয়ার্ডেই নালাগুলি নোংরায় ভরে রয়েছে। এলাকার পরিস্থিতি এখন চরম দুর্ভোগের পর্যায়ে পৌঁছেছে। দ্রুত ধর্মঘট প্রত্যাহার না হলে আগামী দিনে কুল্টিতে বড়সড় স্বাস্থ্য সংকট কিংবা মহামারির পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

এই প্রসঙ্গে কাউন্সিলর ললন মেহরা ধর্মঘটী সাফাই কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়ে রাজ্য সরকার ও পুরনিগমের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করেন। তিনি জানান, সমগ্র পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে আসানসোল পুরনিগমের সাফাই চুক্তিভিত্তিক কর্মীরাই সবচেয়ে কম বেতন পান। মাত্র ৯ হাজার টাকা মাসিক বেতনে চার সদস্যের পরিবারের ভরণপোষণ ও সন্তানের সঠিক শিক্ষা দেওয়া কার্যত অসম্ভব।

তিনি রাজ্য সরকারের কাছে দাবি জানান, এই বিষয়টি অবিলম্বে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। নচেৎ এর খেসারত দিতে হবে সাধারণ মানুষকেই।

এই সাফাই অভিযানে বিজেপির মদন গুপ্ত, মুকেশ যাদব, ছোটু রবিদাস, শিবজি প্রসাদ, লালু রবিদাস, পবন মেহরা, ভোলা প্রসাদ, প্রদীপ সিং, ত্রিলোকী সাঁও সহ বহু স্থানীয় বাসিন্দা অংশ নেন এবং স্বেচ্ছায় সাফাই কাজে হাত লাগান।

ghanty

Leave a comment