পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার অন্তর্গত কুল্টি বিধানসভা এলাকায় নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার সীতারামপুরের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী
অভিজিৎ ঘটক
একটি দলীয় কার্যালয়ের উদ্বোধন করে রাজনৈতিক মহলে নতুন চাঞ্চল্য তৈরি করেছেন।
🏢 তালপাড়ায় কর্মসূচি, ভিড় জমালেন স্থানীয়রা
সীতারামপুরের তালপাড়া এলাকায় দুপুর প্রায় ২টা নাগাদ আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক স্থানীয় মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
👉 কার্যালয় উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে এলাকায় তৃণমূলের সংগঠন আরও শক্তিশালী করার বার্তা দেওয়া হয়
👉 একইসঙ্গে নির্বাচনী প্রচারে নতুন গতি আসে
🔄 বিজেপিতে ধাক্কা, ১০ কর্মীর তৃণমূলে যোগ
অনুষ্ঠানের মাঝেই প্রায় ১০ জন স্থানীয় বিজেপি কর্মী
ভারতীয় জনতা পার্টি
ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন।
অভিজিৎ ঘটক তাঁদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান এবং বলেন—
👉 “এটাই প্রমাণ করছে মানুষ পরিবর্তন চাইছে”
এই ঘটনাকে নির্বাচনের আগে বড় রাজনৈতিক বার্তা হিসেবেই দেখছে রাজনৈতিক মহল।
⚡ বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে তোপ
কার্যালয় উদ্বোধনের মঞ্চ থেকেই অভিজিৎ ঘটক কুল্টির বর্তমান বিধায়ক ও বিজেপি প্রার্থী
ড. অজয় কুমার পোদ্দার
এর বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান।
তিনি অভিযোগ করেন—
👉 “গত ৫ বছরে কুল্টি এলাকায় কোনও উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন হয়নি”
👉 “মানুষ এখনও মৌলিক পরিষেবা থেকে বঞ্চিত”
📊 উন্নয়নই প্রধান ইস্যু
সীতারামপুরের মানুষের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি স্পষ্ট বলেন—
👉 এলাকায় উন্নয়নের অভাব চোখে পড়ার মতো
👉 সেই কারণেই তিনি এই ইস্যু নিয়েই মানুষের দরজায় দরজায় পৌঁছচ্ছেন
রাস্তা, পানীয় জল, আলো ও কর্মসংস্থানের মতো সমস্যাগুলিকে তিনি প্রধান ইস্যু হিসেবে তুলে ধরেন।
🤝 জনসংযোগে জোর
অনুষ্ঠানের পর অভিজিৎ ঘটক সীতারামপুরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন।
👉 তাঁদের সমস্যা শোনেন
👉 সমাধানের আশ্বাস দেন
👉 ভোটের আগে জনসংযোগ আরও মজবুত করেন
🔍 রাজনৈতিক বিশ্লেষণ
বিশেষজ্ঞদের মতে—
- কুল্টি আসনে লড়াই এবার অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি হতে চলেছে
- “উন্নয়ন” ইস্যুই ভোটের ফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা নিতে পারে
- দলবদল ও জনসংযোগ প্রচার নির্বাচনী সমীকরণ বদলে দিতে পারে
🧨 উপসংহার: কুল্টিতে জমে উঠছে ভোটের লড়াই
অভিজিৎ ঘটকের এই কর্মসূচি স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, কুল্টি বিধানসভায় এবার নির্বাচনী লড়াই আরও তীব্র হতে চলেছে।
👉 উন্নয়ন নিয়ে অভিযোগ,
👉 দলবদল,
👉 আর সরাসরি জনসংযোগ—সব মিলিয়ে কুল্টির রাজনীতি এখন চরম উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু।
এখন দেখার বিষয়, ভোটের বাক্সে এর প্রভাব কতটা পড়ে!















