মহালয়া মানেই দেবীপক্ষের সূচনা। এই শুভদিনে আসানসোলের কুলটির নিয়ামতপুরের একতা ভবন পরিণত হয় মহিলাদের উৎসবের মেলায়। কুলটি ব্লক মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে আয়োজিত হয় “দেবী পক্ষের সূচনা” অনুষ্ঠান। দেবীর আগমনী উপলক্ষে আয়োজিত এই কর্মসূচি ছিল একেবারে অন্যরকম রঙে রাঙানো।
এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম বর্ধমান জেলা মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী অসীমা চক্রবর্তী। সঙ্গে ছিলেন কুলটি ব্লক মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী তথা আসানসোল পৌর নিগমের মেয়র-পরিষদের সদস্য ইন্দ্রানী মিশ্র, স্থানীয় কাউন্সিলর সৌরভ মাঝি, তৃণমূল নেতা সুব্রত সিনহা, বাবন মুখার্জি, চন্দন আচার্য সহ আরও অনেক বিশিষ্টজন। আসানসোল পৌর নিগমের কুলটি বোরো অফিসের সমস্ত ওয়ার্ডের মহিলা তৃণমূল কর্মীরাও এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
মহিলা কর্মীদের জন্য বিশেষ উপহার
অনুষ্ঠানের দিনে আগত মহিলা কর্মীদের হাতে আলতা, সিঁদুর, টিপ প্রভৃতির সমন্বয়ে একটি “শুভ-ব্যাগ” তুলে দেওয়া হয়। আয়োজক ইন্দ্রানী মিশ্র জানিয়েছেন, “মহালয়ার দিন দেবীর আগমনীকে কেন্দ্র করে এই আয়োজন মহিলাদের মধ্যে এক নতুন উৎসাহ সৃষ্টি করেছে।”
সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও আধ্যাত্মিক আবহ
অনুষ্ঠানে স্থানীয় কন্যাশিশু ও যুবতীদের অংশগ্রহণে শঙ্খধ্বনি, দেবী বন্দনা, চণ্ডীপাঠের আয়োজন করা হয়। মহালয়ার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চলতে থাকে আলপনা আঁকা, আগমনী গীত ও মহিলাদের একাধিক সৃজনশীল প্রতিযোগিতা।
নিয়ামতপুরে উৎসবের আবহে মহিলা শক্তির প্রদর্শন
পুরো নিয়ামতপুর এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য—এই অনুষ্ঠান শুধু দেবীর আগমনী নয়, মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সংগঠনের শক্তি ও ঐক্যেরও প্রতীক।











