আসানসোল/কুলটি:
নির্বাচনী আচরণবিধি কার্যকর হতেই আসানসোল ও কুলটি জুড়ে তৎপর হয়ে উঠেছে জেলা নির্বাচন প্রশাসন। সরকারি সম্পত্তিতে লাগানো বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ব্যানার, ফেস্টুন ও পতাকা সরানোর কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে।
বুধবার কুলটি বিধানসভা এলাকায় এই নজরদারি প্রক্রিয়ার সূচনা হয় বলে জানিয়েছেন প্রশাসনের আধিকারিক কল্যাণ চৌধুরী।
⚡ সরকারি সম্পত্তিতে আর নয় রাজনৈতিক প্রচার
কল্যাণ চৌধুরী জানান, সরকারি সম্পত্তি—যেমন বৈদ্যুতিক খুঁটি, সরকারি ভবন বা অন্যান্য অবকাঠামো—ব্যবহার করে লাগানো রাজনৈতিক ব্যানার ও ফেস্টুনের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন,
“আমরা ইতিমধ্যেই নজরদারি শুরু করেছি। রাজনৈতিক দলগুলিকে নোটিস দেওয়া হচ্ছে যাতে তারা নিজেরাই এসব সরিয়ে নেয়। যদি তা না করা হয়, তাহলে প্রশাসন নিজেই সেগুলি খুলে নিয়ে জেলা শাসকের দপ্তরে জমা করবে।”
🚫 নোটিসের পরও না সরালে সরাসরি পদক্ষেপ
প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যানার বা পতাকা না সরালে কোনও রকম ছাড় দেওয়া হবে না। সরাসরি অভিযান চালিয়ে সেগুলি খুলে ফেলা হবে।
এই পদক্ষেপের ফলে শহরের সৌন্দর্য রক্ষা করার পাশাপাশি নির্বাচনকে স্বচ্ছ ও নিয়ম মেনে পরিচালনার বার্তা দেওয়া হচ্ছে।
🗳️ ২৩ এপ্রিল ভোট, জেলাজুড়ে প্রস্তুতি তুঙ্গে
নির্বাচন কমিশন পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোল-সহ মোট ৯টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণের দিন হিসেবে ২৩ এপ্রিল ঘোষণা করেছে। এর সঙ্গে সঙ্গেই গোটা রাজ্যে নির্বাচন আচরণবিধি কার্যকর হয়েছে।
প্রশাসন এখন থেকেই সব ধরনের অনিয়ম রুখতে মাঠে নেমেছে, যাতে ভোট প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।
👀 কড়া নজরদারি ও সতর্কবার্তা
প্রশাসনের এই অভিযানে স্পষ্ট বার্তা—নিয়ম ভাঙলে কোনও রেহাই নেই। রাজনৈতিক দলগুলিকে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে প্রচার চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
🔍 প্রশাসনিক বিশ্লেষণ
বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্বাচনী আচরণবিধি কার্যকর হওয়ার পর এই ধরনের দ্রুত পদক্ষেপ ভোটের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কুলটি ও আসানসোল এলাকায় প্রশাসনের এই সক্রিয়তা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, এবারের নির্বাচন নিয়ম মেনে ও কড়া নজরদারির মধ্যেই অনুষ্ঠিত হবে।
এখন দেখার বিষয়, রাজনৈতিক দলগুলি প্রশাসনের এই নির্দেশ কতটা মেনে চলে এবং নির্বাচন কতটা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।














