সকাল ছ’টা থেকে বাম্পার আটকে উত্তাল বিক্ষোভ, কেউ কথা বলতেও এল না!
📍ঘটনাস্থল: ধোপাডাঙ্গা গ্রাম, জামুরিয়া থানা এলাকা |
🕕 সময়: আজ সকাল ৬টা থেকে টানা আন্দোলন
চরম উত্তেজনা ছড়াল জামুরিয়ার ধোপাডাঙ্গা গ্রামে। ইসিএলের খোলা মুখনি চরণপুর থেকে কাটা পাথরের বাটি ফেলে তৈরি হচ্ছে বিরাট এক পাথরের পাহাড়—সরাসরি ফেলে দেওয়া হচ্ছে চাষের জমির উপর। গ্রামবাসীরা জানাচ্ছেন, দিনের পর দিন জমির পাশে জমা পড়ছে এই বিপজ্জনক বর্জ্য। ধীরে ধীরে সেটি এক বিশাল পাথরের স্তূপের রূপ নিচ্ছে, যা শুধু জমি নষ্ট করছে না, বরং পরিবেশ ও জীবনে ফেলছে মারাত্মক প্রভাব।
📣 গ্রামবাসীর ক্ষোভ – “চাষের জমি কি ময়লার ভাগাড়?”
আজ সকাল ৬টা থেকেই ধোপাডাঙ্গা গ্রামের মানুষ রাস্তায় নেমে বাম্পার আটকে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। তাঁরা বলছেন, চাষবাসের জমি এখন ধ্বংসের মুখে।
কিন্তু এত বড় ঘটনা ঘটলেও, সকাল থেকে একজনও কোম্পানির ম্যানেজমেন্ট প্রতিনিধি বা ইসিএল-এর কেউ তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে আসেননি।

🗣️ স্থানীয়দের বক্তব্য:
“চরণপুরের মাইন থেকে পাথর কেটে আমাদের চাষের জমিতে ফেলা হচ্ছে। এভাবে চললে তো ধোপাডাঙ্গা চাষযোগ্য থাকবে না!”
“এত বড় পাহাড়ের মতো জিনিস গড়ে উঠছে চোখের সামনে। কে দেবে এর দায়? কোথায় প্রশাসন?”
🌾 চাষের জমিতে পাথর ফেলায় কী হতে পারে?
- জমির উর্বরতা ধ্বংস হচ্ছে
- পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে
- জমি চাষের অযোগ্য হয়ে পড়ছে
- বাসিন্দারা বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হতে পারেন
- পরিবেশ দূষণ বাড়ছে মারাত্মকভাবে
📢 গ্রামবাসীদের দাবি:
- অবিলম্বে পাথর ফেলা বন্ধ করতে হবে
- জমি পরিদর্শন করতে হবে প্রশাসনকে
- ক্ষতিপূরণের দাবিতে তদন্ত কমিটি গঠন
- ইসিএলের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা













