কাঁকসা, ২২ জুন:
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে দীঘায় নির্মিত জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধনের পর রাজ্যের প্রতিটি বাড়িতে জগন্নাথ দেবের মহাপ্রসাদ পৌঁছে দেওয়ার ঘোষণা করা হয়। সেইমতো ‘দুয়ারে রেশন’ প্রকল্পের অধীনে কাঁকসা ব্লকের তিনটি পঞ্চায়েত — বনকাটি, ত্রিলোচনপুর ও মোলানদিঘি এলাকায় শুক্রবার থেকে প্রসাদ বিতরণ শুরু হয়েছে।
প্রত্যেক রেশন দোকানে সকাল থেকেই প্রসাদের প্যাকেট বিতরণ শুরু হয়। প্রতিটি প্যাকেটে থাকছে একটি খাজা/পেঁড়া, একটি গজা এবং দীঘা জগন্নাথ মন্দিরের ছবি। এই প্যাকেট তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে, যার মাধ্যমে মহিলাদের স্থানীয় কর্মসংস্থান বাড়ছে।
🛑 বিরোধিতার মাঝেও মানুষের ভরসা মুখ্যমন্ত্রীর উপর
যদিও এই প্রকল্প নিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী কটাক্ষ করে বলেন,
“এটা কোনো প্রসাদ নয়, এটা স্থানীয় মিষ্টির দোকান থেকে কেনা মিষ্টি।”
তিনি হিন্দু সমাজের কাছে আহ্বান জানান এই প্রসাদ না গ্রহণ করার।
কিন্তু বাস্তবে রেশন দোকানে দীর্ঘ লাইন এবং মানুষের উৎসাহ ও কৃতজ্ঞতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি আস্থা প্রকাশ করে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন,
“সরকার যখন আমাদের ঘরে ঘরে ঈশ্বরের প্রসাদ পৌঁছে দিচ্ছে, তখন রাজনৈতিক সমালোচনার কোনো মূল্য নেই।”
🎙️ স্থানীয় নেতৃত্বের প্রতিক্রিয়া
ত্রিলোচনপুর পঞ্চায়েতের উপ-প্রধান প্রসেনজিৎ ঘোষ বলেন,
“মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে যতই অপপ্রচার হোক না কেন, সাধারণ মানুষ আজও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই বিশ্বাস করে। এই প্রকল্প মানুষকে ধর্মীয় দিক থেকে যেমন অনুপ্রাণিত করেছে, তেমনই তৃণমূলের প্রতি ভরসাও বাড়িয়েছে।”
এই কর্মসূচি কাঁকসা অঞ্চলে ধর্মীয় অনুভূতি, সামাজিক সংহতি এবং সাংস্কৃতিক ঐক্যকে নতুন রূপে জাগিয়ে তুলেছে।










