📅 তারিখ: ৬-৭ মে, গভীর রাত
🎯 অপারেশন: অপারেশন ‘সিন্দূর’
📍 লক্ষ্যস্থল: পাকিস্তান ও পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে ৯টি বড়সড় জঙ্গি ঘাঁটি
🧨 ফলাফল: ৯০০-র বেশি জঙ্গি টার্গেট, একের পর এক ঘাঁটি ধ্বংস
🔥 পহেলগাঁও হত্যাকাণ্ডের ১৫ দিনের মাথায় বদলা নিল ভারত!
২২ এপ্রিল, জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওতে ২৬ জন পর্যটককে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। দেশজুড়ে নেমে আসে ক্ষোভের ঝড়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সেই ঘটনার পর বিহার থেকে ঘোষণা করেন, “সন্ত্রাসীদের ও তাদের মদতদাতাদের পৃথিবীর শেষ কোণ থেকেও টেনে বের করব।” ঠিক ১৫ দিনের মাথায়, ভারত ‘অপারেশন সিন্দূর’ নাম দিয়ে পাকিস্তান ও POK-তে ঢুকে আঘাত হানে।
🗺️ কোথায় কত জঙ্গি ছিল, কোথায় আঘাত করা হয়েছে:
| এলাকা | উপস্থিত জঙ্গি | সংগঠন |
|---|---|---|
| বাহাওয়ালপুর | ২৫০+ | জইশ-ই-মহম্মদ |
| মুরিদকে | ১২০+ | লস্কর-ই-তৈবা |
| মুজাফ্ফরাবাদ | ১১০-১৩০ | জইশ ও লস্কর |
| কোটলি | ৭৫-৮০ | জইশ ও হিজবুল |
| গুলপুর | ৭৫-৮০ | লস্কর |
| ভিম্বর | ৬০ | হিজবুল |
| চক আমরু | ৭০-৮০ | লস্কর |
| শিয়ালকোট | ১০০ | হিজবুল |
🏴 জঙ্গি সংগঠনের আস্তানার বিস্তারিত:
- বাহাওয়ালপুর: ‘মারকাজ সুবহান আল্লাহ’ – জইশ-ই-মহম্মদ
- মুরিদকে: ‘মারকাজ তৈবা’ – লস্কর-ই-তৈবা
- তাহরা কালাঁ, সর্জাল: জইশ-ই-মহম্মদ
- শিয়ালকোট, মেহমুনা জোয়া: হিজবুল মুজাহিদিন
- বারনালা, মারকাজ আহলে হাদিস: লস্কর
- কোটলি, মারকাজ আব্বাস ও মাসকার রাহিল শাহিদ: জইশ ও হিজবুল
- মুজাফ্ফরাবাদ, শাওয়াই নল্লা ও সাইয়েদনা বিলাল ক্যাম্প: জইশ ও লস্কর
🧠 ভারতের দাবি:
এই আক্রমণ ছিল নির্দিষ্ট ও নিখুঁত। ভারত সরকারের হাতে বিশ্বস্ত গোয়েন্দা তথ্য ও প্রমাণ রয়েছে, যা পহেলগাঁও হামলায় পাকিস্তান ভিত্তিক জঙ্গিদের সরাসরি সম্পৃক্ততা প্রমাণ করে।
🌍 আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বার্তা পৌঁছল:
ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল আমেরিকার NSA ও মার্কো রুবিও-র সঙ্গে কথা বলেন এবং পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এই সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের তথ্য জানান।
🎙️ দেশজুড়ে স্লোগান:
“এইবার নয়, ঘরে ঢুকে মারবে ভারত!”
“২৬-এ শহীদদের রক্ত বিফলে যাবে না!”













