পশ্চিম বর্ধমান জেলার দুর্গাপুরে আবারও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি-র অভিযানে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। আসানসোল–দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের সাব-ইন্সপেক্টর মনোরঞ্জন মণ্ডল-এর দুর্গাপুরের বাড়িতে বুধবার সকালে ফের তল্লাশি চালায় ইডির আধিকারিকরা।
জানা গেছে, এদিন সকালে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে নিয়ে ইডির একটি দল মনোরঞ্জন মণ্ডলের বাড়িতে পৌঁছে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। হঠাৎ কেন্দ্রীয় সংস্থার এই উপস্থিতিতে গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নানা জল্পনা শুরু হয়।
আগেও পড়েছিল ইডির নজর
উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এর আগেও ৩ ফেব্রুয়ারি ইডির আধিকারিকরা মনোরঞ্জন মণ্ডলের বাড়িতে দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশি চালিয়েছিলেন। সেদিন কয়েক ঘণ্টা ধরে বিভিন্ন নথি ও নথিপত্র খতিয়ে দেখা হয়।
তল্লাশির পর তাঁকে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেওয়ার জন্য নোটিস পাঠানো হয়েছিল। তবে সূত্রের খবর, একাধিকবার নোটিস পাঠানো হলেও তিনি সেখানে হাজিরা দেননি।
বুধবার আবার শুরু তল্লাশি অভিযান
এরপর বুধবার সকালে আবারও ইডির আধিকারিকরা কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর দুর্গাপুরের বাড়িতে পৌঁছে তল্লাশি অভিযান শুরু করেন। সকাল থেকেই এলাকায় কেন্দ্রীয় সংস্থার গাড়ি ও বাহিনীর উপস্থিতির কারণে স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল ও আলোচনার পরিবেশ তৈরি হয়।
কোন মামলায় তদন্ত, এখনও স্পষ্ট নয়
তবে এই অভিযানের পেছনে ঠিক কোন মামলার তদন্ত চলছে, সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত ইডির পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক তথ্য জানানো হয়নি। ফলে বিষয়টি ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে।
আদালতের দ্বারস্থ মনোরঞ্জন মণ্ডল
অন্যদিকে একটি সূত্রের দাবি, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মনোরঞ্জন মণ্ডল ইতিমধ্যেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন এবং আইনি পথে বিষয়টি মোকাবিলা করার চেষ্টা করছেন।
এই ঘটনার পর আসানসোল–দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলে প্রশাসনিক মহলেও ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, ইডির এই তদন্ত আগামী দিনে আরও বড় কোনও তথ্য সামনে আনতে পারে। বর্তমানে তল্লাশি অভিযান চলায় পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে গোটা এলাকা।














