হীরাপুরে নেশার বিরুদ্ধে ঝড়, থানার ঘেরাও করল DYFI ও AIWDA

single balaji

📍 আসানসোল |
আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের অন্তর্গত হীরাপুর থানার এলাকায় লাগাতার বেড়ে চলা বেআইনি মদ ও জুয়ার আড্ডার বিরুদ্ধে মঙ্গলবার DYFI (ডেমোক্রেটিক ইয়ুথ ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া) এবং AIWDA (অখিল ভারতীয় মহিলা জাগরণ সমিতি) এক তীব্র প্রতিবাদ ও থানার ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে।

⚠️ “বাড়ছে নেশা, যুব সমাজ হারাচ্ছে দিশা!”

প্রতিবাদকারীদের অভিযোগ, হীরাপুর, রেলপার, রামকৃষ্ণ কলোনি ও আশপাশের এলাকায় খোলাখুলি ভাবে চলছে মদের বিক্রি ও জুয়ার আসর, যার ফলে এলাকার বহু যুবক নেশার কবলে পড়ে বিপথে যাচ্ছে।
এই সামাজিক ক্যান্সারের বিরুদ্ধে পুলিশ কার্যত নীরব দর্শক — এই অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার বিক্ষোভে ফেটে পড়ে সাধারণ মানুষও।

“পুলিশ যদি ব্যবস্থা না নেয়, আমরা এলাকাবাসী রাস্তায় নেমে প্রতিরোধ করবো”
– AIWDA নেত্রী সুষমা দাস

🪧 থানার সামনে বিক্ষোভ, স্লোগানে কাঁপলো এলাকা

DYFI ও AIWDA-র নেতৃত্বে শতাধিক সদস্য ও কর্মী হীরাপুর থানার সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ মিছিল, স্লোগান ও ঘেরাও কর্মসূচি চালায়।
বেআইনি মদের দোকান বন্ধ করো! জুয়ার ঠেক উচ্ছেদ করো! পুলিশ জবাব দাও!” — এই ধরনের স্লোগানে উত্তাল হয়ে ওঠে এলাকা।

এরপর সংগঠনের একটি প্রতিনিধিদল থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিককে স্মারকলিপি প্রদান করে, যার মধ্যে উল্লেখ করা হয়:

  • অবিলম্বে বেআইনি মদের ও জুয়ার ঠেক বন্ধ করতে হবে
  • দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে
  • এলাকা জুড়ে পুলিশি নজরদারি ও টহল বাড়াতে হবে
  • স্কুল-কলেজের ছেলেমেয়েদের জন্য সচেতনতামূলক ক্যাম্প চালু করতে হবে

🔥 “চুপ থাকলে চলবে না — এবার প্রতিবাদ তীব্র হবেই!”

DYFI ও AIWDA নেতারা স্পষ্ট জানান, যদি প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে এই আন্দোলন আরও বড় পরিসরে ও বড় মঞ্চে সংগঠিত হবে।
DYFI নেতা অরিন্দম ভট্টাচার্য বলেন,

“এই লড়াই শুধু মদের বা জুয়ার বিরুদ্ধে নয়, আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করার লড়াই।”

👥 স্থানীয় মানুষও পাশে দাঁড়ালো

প্রতিবাদ কর্মসূচিতে এলাকার বয়স্ক নাগরিক ও গৃহবধূরাও অংশ নেন। অনেকেই বলেন,

“বাচ্চারা স্কুল থেকে ফেরার সময়ও ভয় পায়, কারণ রাস্তায় নেশায় বুঁদ কিছু লোক হুমকি দেয়।”

ghanty

Leave a comment